বিধানসভার বাইরে রাজ্যে নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিক্ষোভ বিজেপির। তাদের দাবি বিধানসভার ভেতরে এ নিয়ে তাদের কোনো অভিযোগ সোনা হয়নি তাই তারা বিধানসভার বাইরেই এর প্রতিবাদে প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বিক্ষোভে সামিল হন। পাশাপাশি বিরোধী দলনেতাকেও শারীরিক হেনস্থার দাবি করা হচ্ছে। বিরোধী দলনেতার পাশাপাশি উপস্থিন ছিলেন অন্যান্য বিজেপি বিধায়করা।
অভিযোগ, রাজ্যে কয়েক মাসে একাধিক নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে গণপিটুনির মত ঘটনা সামনে এসেছে। কিন্তু তারপরেও মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরেও এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর তরফে কোন বিবৃতি দেওয়া হয়নি। আর এই নিয়েই বিধানসভার অধিবেশনে প্রশ্ন করা হলে তাদের কোনো প্রশ্নই শোনা হয়নি। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী এদিন বিধানসভায় অনুপস্থিত ছিলেন। তার পরিবর্তে বক্তৃতা রাখেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। কিন্তু বিজেপি বিধায়করা তার বক্তব্যে সন্তুষ্ট না হওয়ায় ওয়াকআউট করেন।এর পরেই বিজেপি বিধায়করা বিধানসভার বাইরে বিক্ষোভ দেখায়।



এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বিধানসভায় বিরোধীদের বলতে দেওয়া হচ্ছে না। রাজ্যের একাধিক জায়গায় নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না রাজ্য সরকার।” এছাড়াও বিরোধী দলনেতা অভিযোগ করেন, তাকে শারীরিক নির্যাতনের চেষ্টা করা হয়েছিল।
নারী নির্যাতন নিয়ে আলোচনার দাবি, শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিধানসভায় বিক্ষোভ বিজেপির



প্রসঙ্গত, রাজ্যে সাম্প্রতিক বেশ কিছু ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে। পাশাপাশি জেসিবি, জয়ন্ত, জামাল, সাদ্দাম এর মতো এলাকায় এলাকায় মাতব্বরদের গজিয়ে উঠেছে। প্রত্যেকের পেছনেই তৃণমূলের যোগসাজশ রয়েছে। ঘটনাগুলিকে কেন্দ্র করে বিধানসভায় রাজ্য সরকারকে চাপে রাখার চেষ্টা করেছিল বিজেপি। কিন্তু তাদেরকে বিধানসভায় কোনো গুরুত্ব না দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। এদিন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল জানান, “আমরা যদি বিধানসভায় কোন জবাব না পাই তাহলে আমরা এলাকার সাধারণ মানুষকে কি জবাব দেবো।”







