নজরবন্দি ব্যুরো: সোমবার থেকেই বিজেপির বুথ সভাপতি খুনে উত্তপ্ত ময়না। দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের পর বাকচায় নিয়ে আসে বিজয়কৃষ্ণ ভুইঞার পরিবার। রাতেই ময়নায় পৌঁছল বিজেপি নেতার দেহ। শুক্রবার বিজয়কৃষ্ণের দেহের সৎকার করা হবে। সকাল থেকেই নিহত বিজেপি নেতার বাড়িতে স্থানীয় নেতৃত্ব জমায়েত শুরু করেছে। শেষযাত্রায় উপস্থিত থাকবেন বিধায়ক অশোক দিন্দা এবং সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি আশিস বর্মন।


সকাল থেকে গ্রামবাসীরা জমায়েত করতে শুরু করেছেন বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে। বিজয়কৃষ্ণ খুনের পর থেকেই পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছে পরিবার। গতকাল দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের পর ময়নায় পৌঁছল বিজেপি নেতার দেহ। রাতে বাবার দেহ নিয়ে আসার পর ছেলের বক্তব্য ছিল, পুলিশ সবেমাত্র একজনকে গ্রেফতার করেছে। এভাবে তদন্ত চলতে থাকলে অনন্ত সময় লেগে যাবে। তাই পুলিশের ওপর আস্থা নেই। সিবিআই তদন্তের দাবিতে অনড় রয়েছেন তাঁরা।

পরিবারের তরফে অভিযোগ, বিজয়কৃষ্ণকে একজোট হয়ে আক্রমণ করা হয়েছে। মুগুড় দিয়ে তার মাথায় একাধিকবার আঘাত করা হয়। তার শরীরে বাঁশ দিয়ে আঘাত করা হয়। অভিযোগ, সঙ্গে ছিলেন বিজয়কৃষ্ণের স্ত্রী। তার ওপরেও হামলা করা হয়। এমনকি স্ত্রীকে আলাদা করতে বোমাবাজি করা হয়। অভিযোগ বিজেপি কর্মীদের। অভিযোগ, পুলিশ পারলেই হামলা রুখতে পারত। কিন্তু পুলিশের তরফে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।


ময়নায় পৌঁছল বিজেপি নেতার দেহ, উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা থেকে গ্রামবাসীরা

এমনকি পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ দেহ নদী পেরিয়ে ঘুরপথে নিয়ে চলে গিয়েছিল। দেহ উদ্ধারের পর পরিবারকেও জানানো হয়নি। তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান অরুণ হালদার। এমনকি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, পুলিশের নেতৃত্বেই হয়েছে খুন।







