নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বিক্রি হওয়া নির্বাচনী বন্ডের টাকার পরিমান দেখলে চোখ কপালে ওঠে। এর অধিকাংশ গিয়েছে বিজেপির তহবিলে। বিজেপির তুলনায় অন্যান্য সর্বভারতীয় দলগুলির প্রাপ্ত অনুদান চোখে লাগার মতো কম। নির্বাচন কমিশনে ওয়েবসাইটে বন্ড সংক্রান্ত হিসাব জমা দিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। তা থেকেই এই তথ্য উঠে এসেছে।
আরও পড়ুনঃ এবারের থিম দুর্গা ও নারী ক্ষমতায়ন, প্রজাতন্ত্রের কুচকাওয়াজে ফিরছে বাংলার ট্যাবলো


২০২২ সালে ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেওয়া হিসাব অনুযায়ী নির্বাচনী বন্ডের থেকে গেরুয়া শিবিরের আয় হয়েছে ১,০৩৩ কোটি টাকা। ২০২১, ২০২০, ২০১৯ সালে আয় হয়েছে যথাক্রমে ২২.৩৮ কোটি, ২,৫৫৫ কোটি এবং ১,৪৫ কোটি টাকা। এই নির্বাচনী বন্ডের মাধ্য ২০১৮ সালে বিজেপি আয় হয়েছে ২১০ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে আয় হয়েছে ৫,২৭০ কোটি টাকা। ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৯,২০৮ কোটি টাকার নির্বাচনী বন্ড বিক্রি হয়েছে। তার মধ্যে ৫৭ শতাংশ অর্থাৎ অর্ধেকেরও বেশি গিয়েছে গেরুয়া শিবিরের তহবিলে।

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস ২০২১-২২ সালে নির্বাচনী বন্ড থেকে আয় করেছে ৫২৮ কোটি টাকা। এছাড়া ২০২১, ২০২২ এবং ২০১৯ সালে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যে যথাক্রমে ৪২, ১০০ এবং ৯৭ কোটি টাকা। নির্বাচন বন্ডের মাধ্যমে সব মিলিয়ে তৃনমূল পেয়েছে ৭৬৭ কোটি টাকা যা কিনা মোট বিক্রির ৮ শতাংশ। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে বন্ড থেকে আয়ের নিরিখে বিজেপির পরেই স্থান পেয়েছে তৃণমূল।



তৃতীয় স্থানে রয়েছে কংগ্রেস। গত অর্থবর্ষে তারা নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে ২৫৩ কোটি টাকা তুলতে পেরেছে। ২০২১ সালে ১০ কোটি, ২০২০ সালে ৩১৭ কোটি এবং ২০১৯ সালে ৩৮৩ কোটি টাকা তারা তহবিল সংগ্রহ করতে পরেছে। সে দিকে থেকে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে কংগ্রেসের আয় ক্রমশ কমছে। কমিশনের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সব মিলিয়ে কংগ্রেস রোজগার করেছে ৯৬৩ কোটি টাকা।
নির্বাচনী বন্ড থেকে বিপুল রোজগার BJP-র, দ্বিতীয় স্থানে তৃণমূল!

বছরে চারবার নির্বাচনী বিক্রি হয় (জানুয়ারি, এপ্রিল, জুলাই এবং অক্টোবরে)। সরকারের নোটিশ দেওয়ার পর ১০ দিন সময় থাকে বন্ড কেনার। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার মাধ্যমেই এই বন্ড বিক্রি হয়। যদি রাজনৈতিক দলগুলি দেশের ১০টি ব্যাঙ্কের মাধ্যমে এর টাকা তুলতে পারে। নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করতে হলে সাধারণ নির্বাচনে কোনও রাজনৈতিক দলকে অন্তত ১ শতাংশ ভোটে পেতে হয়।







