বাংলায় এখনও চার আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা বাকি রয়েছে বিজেপির। তার মধ্যে একটি ডায়মন্ড হারবার। শোনা গিয়েছিল, তৃণমূল প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধে কোনও শক্তিশালী মুখ খুঁজে পাচ্ছে না বিজেপি। সেক্ষেত্রে কাকে টিকিট দেওয়া হবে তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। ভোটের আর একমাসও বাকি নেই। এই অবস্থায় হেভিওয়েট কেন্দ্রে এখনও প্রচার শুরু করতে পারল না দল। এবার দুজন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম উঠে আসছে। শেষ পর্যন্ত কাকে টিকিট দেবে বিজেপি (BJP Candidate) নেতৃত্ব।



আরও পড়ুন: নির্বাচনী প্রচারে চমক বামেদের, আত্মপ্রকাশ করল AI অ্যাংকর ‘সমতা’
রবিবার বাংলার দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বিজেপি। সেখানে বাদ যায় ডায়মন্ড হারবারের নাম। সেখানে তৃণমূলের প্রার্থী দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে এখনও কোনও বিরোধী দল প্রার্থী ঘোষণা করতে পারেনি। কয়েকদিন আগে বঙ্গ বিজেপির দুই অন্যতম মুখ রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বাংলার বাকি আসনের প্রার্থী বাছাই করতে দিল্লিতে বৈঠকে বসেছিলেন। জানা গিয়েছিল, ডায়মন্ড হারবারে অভিষেককে হারাতে প্রার্থী ঠিক করতে পারছে না বিজেপি। এনিয়ে তৃণমূলের তরফে কটাক্ষ করা হয়, ‘বিজেপি হয়তো শেষ পর্যন্ত কোনও প্রার্থী দিতে পারবেই না। আইএসএফের পায়ে ধরতে হবে।’

রাজনৈতিক মহলের অন্দরে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, ডায়মন্ড হারবারে শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ কাউকে প্রার্থী করতে পারে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেক্ষেত্রে সদ্য কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে আসা কৌস্তভ বাগচী (Koustav Bagchi) এবং শঙ্কুদেব পাণ্ডার নাম উঠে আসছে। শীঘ্রই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবে বিজেপি। তখনই স্পষ্ট হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কাকে প্রার্থী করা হল।


অভিষেকের বিরুদ্ধে প্রার্থী শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ! ডায়মন্ড হারবারে কৌস্তভকে টিকিট দিতে পারে বিজেপি

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে প্রথমবার লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বিপুল ভোট জয়লাভ করেন তিনি। ২০১৯ সালেও এই আসনে জিতে দ্বিতীয়বার সাংসদের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর দলে তাঁর প্রাধান্য বেড়েছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর অভিষেককে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক করা হয়। বর্তমানে রাজনৈতিক মহলে তাঁকে তৃণমূলের ‘সেনাপতি’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। যদিও অভিষেক নিজেকে দলের একজন ‘সৈনিক’ হিসেবেই পরিচিত করতে চান।







