বাবা সিদ্দিকিকে হত্যার দায় নিয়েছে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং, সলমনের সঙ্গে বন্ধুত্বের মাশুল দিতে হল তাঁকে?

দীর্ঘদিন ধরেই লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাংয়ের হিটলিস্টে সলমন খানের নাম রয়েছে। বাবা সিদ্দিকি কেবল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসাবেই নয়, বরং বলিউডের সঙ্গে তাঁর ওঠা-বসার সূত্রেও পরিচিত।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিকিকে হত্যার দায় নিয়েছে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্যরা৷ শনিবার রাতে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন বাবা সিদ্দিকী ৷ রবিবার পুলিশ জানিয়েছে, সোশাল মিডিয়ার যে পোস্টে এই মৃত্যুর দায়ভার স্বীকার করা হয়েছে, তা সত্যিই বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কি না, সেই দাবি খতিয়ে দেখা হচ্ছে ৷ এদিকে এদিন দুপুরে এই খুনের ঘটনায় দুই অভিযুক্ত গুরমাইল সিং এবং ধরমরাজ কাশ্যপকে গ্রেফতার করেছে মুম্বই পুলিশ ৷

তাঁদের স্থানীয় এসপ্ল্যানেড কোর্টে পেশ করা হয় ৷ গতকাল দেশজুড়ে দশেরা পালিত হচ্ছিল ৷ এদিন রাতে মহারাষ্ট্রের বান্দ্রার খায়ের নগরে প্রাক্তন মন্ত্রী সিদ্দিকী তাঁর ছেলে বিধায়ক জিশান সিদ্দিকীর অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন ৷ তখন তিন দুষ্কৃতী এসে তাঁকে গুলি করে চলে যায় ৷ মুহূর্তে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এনসিপি-র অজিত পাওয়ার গোষ্ঠীর নেতা বাবা সিদ্দিকী ৷

এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে, সলমন খানের সঙ্গে বন্ধুত্বের মাশুল? প্রাণ খোয়াতে হল বাবা সিদ্দিকিকে। কারণ দীর্ঘদিন ধরেই লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাংয়ের হিটলিস্টে সলমন খানের নাম রয়েছে। বাবা সিদ্দিকি কেবল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসাবেই নয়, বরং বলিউডের সঙ্গে তাঁর ওঠা-বসার সূত্রেও পরিচিত। মুম্বইয়ে বাবা সিদ্দিকির ইফতার পার্টির কথা সকলের জানা, যেখানে চাঁদের হাট বসে।

কার্যত গোটা বলিউড হাজির হয় বাবা সিদ্দিকির এক ডাকে। বাবা সিদ্দিকির এই ইফতার পার্টিতেই মিটেছিল শাহরুখ-সলমনের বহু বছরের ঝামেলা। ১৯৯৮ সালে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় চিঙ্কারা ও কৃষ্ণসার মৃগ হত্যা করেছিলেন সলমন খান। এই মামলায় তাঁকে জেলেও যেতে হয়। কৃষ্ণসার মৃগ বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের পুজিত। এরপর থেকেই সলমনকে বারেবারে খুনের হুমকি দিচ্ছে জেলবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই। সম্প্রতিই সলমনের নিরাপত্তাও বাড়িয়ে ‘ওয়াই’ ক্যাটেগরির করা হয় এই কারণে। তবে বাবা সিদ্দিকি এমন কোনও হুমকি পাননি বলেই সূত্রের খবর।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত