বেকার যুবক-যুবতীদের জন্যে বড় উদ্যোগ। কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী।

বেকার যুবক-যুবতীদের জন্যে বড় উদ্যোগ। কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বেকার যুবক-যুবতীদের জন্যে বড় উদ্যোগ। কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী। বড় সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যান্য সামাজিক প্রকল্পের মতোই গত মার্চ মাসে ‘কর্ম সাথী’ প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন। আন্তর্জাতিক যুব দিবসে তিনি বাংলার যুবক-যুবতীদের সেই কর্ম সাথী প্রকল্পের কথা স্মরণ করিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ট্যুইট করে বাংলার যুবক-যুবতীদের উজ্জীবিত করেন। তিনি লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার যুবকদের ক্ষমতায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক একটি নতুন স্কিম ‘কর্ম সাথী’ প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। এক লক্ষ বেকার যুবক-যুবতী কে স্বাবলম্বী করতে লোন ও ভর্তুকি সরবরাহ করা হবে।”

আরও পড়ুনঃ ৭০ হাজার কর্মী নিয়োগ। ফ্লিপকার্টের বড় সিদ্ধান্ত পুজোর মুখে!

এছাড়াও তিনি দ্বিতীয় টুইটে তিনি লেখেন, “যখন ভারতের বেকারত্বের হার ২৪ শতাংশ বেড়েছে; তখন পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্বের হার ৪০ শতাংশ কমে গিয়েছে। বাংলা যুবক-যুবতীরা ভারতের হয়ে বহু জায়গায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং ভবিষ্যতে আরও কাজ চালিয়ে যাবে।” সর্বশেষ টুইটে তিনি লেখেন “আমরা আমাদের যুবদের জন্য গর্বিত। তারা ভবিষ্যৎ। নতুন প্রজন্ম আমাদের জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। যুব রা মেধাবী, দক্ষ ও পরিশ্রমী। তাদের আজকের স্বপ্নগুলি আগামীকাল বাস্তবে পরিণত হবে।”

সেই ঘোষণা আজ বাস্তবায়িত হল। রাজ্যের বেকার যুবক যুবতীদের স্বাবলম্বী করার ব্যবসায় উৎসাহ দিতে সহজে ও কম সুদে ২ লক্ষ টাকা করে ঋণদানের ব্যবস্থা করলেন তিনি। আজ বিশ্বকর্মা পুজো ও মহালয়ার দিনে মখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে গেল। রাজ্যের ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প দপ্তর বিজ্ঞপ্তি জারি করল এদিন।

কিভাবে পাবেন লোন? কারা আবেদন করতে পারবেন? রাজ্য সরকার জানিয়েছে লোন পাওয়ায়ার জন্যে আবেদন কারির বয়েস হতে হবে ১৮-৫০ বছরের মধ্যে। পাশ করতে হবে অষ্টম শ্রেণী। একজন সর্বোচ্চ ২ লক্ষ টাকা ঋণ পাবেন। ‘কর্মসাথী’ প্রকল্পে লোন পেতে যারা আবেদন করবেন তাঁদের জন্যে জেলায় জেলায় তৈরি হয়েছে একটি স্ক্রিনিং কমিট। ঋন পেতে আজ থেকেই আবেদন করা যাবে।

স্ক্রিনিং কমিটিতে থাকবেন জেলাশাসক। পাশাপাশি থাকবেন সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, জেলার হ্যান্ডলুম দপ্তর, মৎস্য, কৃষি বিপণন এবং উদ্যানপালন দপ্তরের আধিকারিকরা। এই কমিটি শুধু লোন দানে সহায়তা করবে এমন নয়। কিভাবে ব্যাবসা করতে হবে, বা কন ব্যাবসা লাভ জনক সেই বিষয়ে পরামর্শও দেবে। কলকাতার ক্ষেত্রে এই বিষয়টি দেখভালের দায়িত্বে থাকবেন MSME দপ্তরের ডিরেক্টর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x