নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভবানীপুরে টহল দিচ্ছে ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। গতকাল হয়ে গেছে প্রবীণ নাগরিক ও বিশেষ ভাবে সক্ষমদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট গ্রহন। বিশেষ ভাবে সক্ষমরা সবাই ভোট দিলেও ভোট দেননি ৯ শতাংশ প্রবীণ নাগরিক। তা দেখে চিন্তা বেড়ে ছিল সব পক্ষের। এর সে চিন্তা বাড়ছিল ভবানীপুরে ক্রমশ কম ভোট পড়তে থাকায়। যদিও বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ল ভোট দানের প্রবণতা।
আরও পড়ুনঃ ভোটের নিরিখে পিছিয়ে ভবানীপুর, মিত্র ইন্সটিউশনে ভোট দিলেন মুখ্যমন্ত্রী


এদিন বেলা ৩ টে পর্যন্ত ভবানীপুরে ভোট পড়েছে ৪৮ শতাংশ। পাশাপাশি জঙ্গিপুরে ভোট পড়েছে ৬৮ শতাংশ। সামশেরগঞ্জে ভোট পড়েছে ৭২ শতাংশ। সকাল নটার পরিসংখ্যানে ভবানীপুরে ভোট শতাংশ আট শতাংশেরও কম ছিল। পরে ১১ তা নাগাত অর্থাৎ ঘন্টা দুয়েকে ১৩ শতাংশের বেশি ভোট পড়ে সেটা পৌঁছে যায় ২১ শতাংশে। এখন যা দাঁড়িয়েছে ৪৮ শতাংশ। আর তাতেই স্বস্তিতে শাসকদল।
তবে, ভবানীপুরে জয় নিয়ে নিশ্চিত তৃণমূল। ঘাসফুল শিবিরের আশা কমপক্ষে ৫০ হাজার ভোটে জিতবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে বিজেপির ধারনা সবাই যদি ঠিকঠাক ভোট দিতে পারেন তাহলে তাঁদের প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। উল্লেখ্য, ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ, তৃণমূল প্রার্থী শোভন্দেব চট্টোপাধ্যায়ের কাছে ২৮ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন।
এদিকে ৮০ বছরের বেশি বয়স এবং শারীরিক সমস্যা আছে যাঁদের, তাঁদের জন্য ২০২১ নির্বাচন থেকেই বাড়িতে বসে ভোট দেওয়ার সুবিধা নিয়ে এসেছে নির্বাচন কমিশন। লোকাল থানার একজন পুলিশকর্মী ও নির্বাচন কমিশনের এক জন প্রতিনিধির উপস্থিতিতে এই পদ্ধতিতে ভোট নেওয়া হয়। সূত্রের খবর, ভবানীপুরে ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে বয়স এমন ভোটারের সংখ্যা ৪ হাজার ৭১৩। পাশাপশি বিশেষ ভাবে সক্ষম ভোটার সংখ্যা ৩৩০ জন।


এই ভোটারদের মধ্যে বিশেষ ভাবে সক্ষম ১৮ জন এবং ৮০ বছরের বেশি বয়সি ৬৩৯ জন, সর্বমোট ৬৫৭ জন বাড়িতে বসে ভোট দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। জানা গিয়েছে, বিশেষ ভাবে সক্ষম ১৮ জন নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেও ৫৭ জন ৮০ ঊর্দ্ধ ভোটার ভোট দেননি। কারন হিসেবে তাঁরা জানিয়েছেন, ‘বিশেষ কারনে’ ভোট দিতে চান না তাঁরা! চিন্তার বিষয় হল, পোস্টাল ব্যালটে বাড়িতে বসেই যদি ভোট দিতে এত সমস্যা হয় তাহলে শেষ পর্যন্ত ভোট দিতে আসবেন কত শতাংশ ভোটার!
বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ল ভোট দানের প্রবণতা, ভবানীপুরে এখন ৪৮%








