কোটা বা সংরক্ষণ আইনের বিরুদ্ধে কয়েক দিন ধরেই উত্তাল বাংলাদেশ। পুলিশের সাথে দেশজুড়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সংঘর্ষে প্রাণ গিয়েছে শতাধিক। দেশজুড়ে লাগু করা হয়েছে কারফিউ। রাস্তায় নেমেছে সেনা। দেশজুড়ে পুলিশের সাথে খন্ড যুদ্ধে জড়িয়েছে বাংলাদেশের অগণিত ছাত্রছাত্রী। ২০১৮ সালে সংরক্ষণ নিয়ে সে দেশের সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তা গত ৫ জুন অবৈধ বলে ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ হাই কোর্ট।



সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল হাসিনা সরকার। আর আজ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হাই কোর্টের নির্দেশ খারিজ করে দিলো। সুপ্রিম কোর্টের রায় দেখে বলা যায় কিছুটা হলেও হাসিনা সরকারের পক্ষে গিয়েছে। তবে সংরক্ষণের প্রশ্নে হাসিনা সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিল তা অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা সংরক্ষণে যে ৩০ শতাংশ ছিল তা কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। অপরদিকে বাংলাদেশের বাকি শ্রেণির জন্য ২ শতাংশ সংরক্ষণ করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে অবশিষ্ট যে ৯৩ শতাংশ বাকি আছে তার নিয়োগ হবে মেধার ভিত্তিতে। এর সাথে কোর্ট দেশের ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফেরত যেতে বলেছেন।
কোটা নিয়ে রায় দিল বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, কী জানালো সে দেশের শীর্ষ আদালত?

শুনানির পর বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দীন বলেছেন, “সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, হাই কোর্টের রায় বেআইনি ছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য সরকারি চাকরিতে পাঁচ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। অন্যান্য শ্রেণির জন্য থাকবে আরও দুই শতাংশ সংরক্ষণ।’’ বাংলাদেশের সুপ্রিম কোটের এই রায়ের ফলে সে দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।









