নজরবন্দি ব্যুরো: পরিণতি আচ্ছে দিনের? জন প্রতি আয়ে বাংলাদেশও টপকে গেল ভারতকে। পরিণতি আচ্ছে দিনের? করোনা কালের বেহাল অর্থাবস্থা ভারতের, হিসেবের নিরিখে এবার দেশকে পিছনে ফেলে দিল ওপার বাংলা। গত বছর থেকে গোটা দেশ এবং বিশ্ব জুড়ে চলছে করোনার ব্যাটিং। পরিস্থিতি থিতু হওয়ার আগেই ফের বাড়বাড়ন্ত শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের। রাজ্যে রাজ্যে ভেঙে পড়ছে অর্থ ব্যবস্থা। ভাঙছে স্বাস্থ্য কাঠামো।
আরও পড়ুনঃ অনুমতি সংক্রান্ত সমস্যা, জ্বালানি শেষ! বিমানে মেরি কম সহ ভারতীয় বক্সিং দল, বরাত জোরে রক্ষা
হিসেবের নিরিখ বলছে দেশে এই মুহুর্তের মাথাপিছু আয় পিছিয়ে গেছে ওপার বাংলার থেকেও। মাথাপিছু আয় বলতে অর্থনীতিতে বোঝায় কোনো এক নির্দিষ্ট এলাকায় বসবাসকারী মানুষের গড় আয় সেই নির্দিষ্ট এলাকার মাথাপিছু আয়। যার অর্থ দাঁড়ায় সকল দেশবাসীর মোট আয়কে জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে প্রাপ্ত ফলাফল। আর পরিসংখ্যান বলছে এই হিসেবেই ভারতকে টপকে গেলো বাংলাদেশ। বিশ্বজুড়ে এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় বেড়েছে গতবছরের থেকে ৯ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিকল্পনা মন্ত্রক সূত্রের খবর বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২হাজার ৬৪ মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে এবছর দাঁড়িয়েছে ২হাজার ২২৭ মার্কিন ডলারে।
বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মোট যোগফল ১লক্ষ ৮৮ হাজার ৮৭৩ টাকা। এই খবর বাইরে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই ফের কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছে মোদী সরকার। এমনিতেই করোনা মোকাবিলায় দেশ বিদেশ প্রায় সব ক্ষেত্রেই মুখ পুড়েছে কেন্দ্রের। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী থেকে বিদেশের পত্রিকা সকলেই দেশের করোনার দ্বিতীয় ঢেউকে “মোদী মেড” বলে আখ্যা দিয়েছেন। বহু কটাক্ষের মুখে পড়েছে মোদী সরকারের “আচ্ছে দিন” তত্ব, জনরোষ প্রকাশ পেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর “মন্ কী বাত” নিয়েও।
পরিণতি আচ্ছে দিনের? জন প্রতি আয়ে বাংলাদেশও টপকে গেল ভারতকে। বারবার বলা হয়েছে শুধু নিজের ভাবমূর্তি রক্ষায় ব্যস্ত কেন্দ্র সরকার। টিকা থেকে অক্সিজেন কোনো কিছুতেই দায়বদ্ধতার পরিচয় দেয়নি। তার পরেই এই মাথা পিছু আয়ের কথা সামনে আসতেই দেশের সর্বস্তরে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা।



