পুনর্বাসন ছাড়া বাঙালি হকার উচ্ছেদ চলবে না, পুরসভায় স্মারকলিপি জমা দিল বাংলা পক্ষ

বাংলা পক্ষের দাবি, বড়বাজার, রাজাবাজার, নিউ মার্কেট, খিদিরপুর, মেটিয়াবুরুজ, ধর্মতলা সহ সমস্ত বহিরাগত অধ্যুষিত এলাকা সহ পুরো কলকাতাতেই নজরদারি চালাতে হবে যাতে কোনও সময় বাইরের রাজ্য থেকে এসে কেউ বসে না যায়।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

গত ২৪ জুন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার ফুটপাথ, সরকারি জমি বহিরাগতদের হাত থেকে দখলমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে রাজ্য সরকারের তরফে অভিযানও শুরু হয়। তবে, আপাতত জায়গা খালি করতে এক মাসের সময় দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিকে, এবার ফুটপাথ-সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে ময়দানে নামল বাংলা পক্ষ। সেই মর্মে আজ বাংলা পক্ষ কলকাতা জেলার একটি প্রতিনিধি দল কলকাতা কর্পোরেশনের হেড অফিসে মাননীয় অ্যাডিশনাল কমিশনার প্রবাল কান্তি মাইতির কাছে একটি ডেপুটেশন প্রদান করলেন।

এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন, বাংলা পক্ষ কলকাতা জেলার সম্পাদক সৌম্য বেরা, নিখিলেশ চন্দ্র সিনহা, পল্লব বিশ্বাস এবং দীনবন্ধু মোদক সহ অন্যান্য সদস্যরা। মাননীয় অ্যাডিশনাল কমিশনার মহাশয়ের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পর কলকাতার জেলা সম্পাদক সৌম্য বেরা বলেন, “এই হকার সার্ভে শুধুমাত্র সাময়িক না, প্রতিনিয়ত সার্ভে হওয়ার প্রয়োজন, যাতে আবার কিছুদিন পর ভূমিপুত্র ছাড়া কোন বহিরাগত এসে দখল না করতে পারে।”

পুনর্বাসন ছাড়া বাঙালি হকার উচ্ছেদ চলবে না, পুরসভায় স্মারকলিপি জমা দিল বাংলা পক্ষ

সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে যে সার্ভে চলছে সেখানে নেতা-নেত্রীদের চাপে বহিরাগতদের হকার কার্ড দেওয়া যাবে না। এবং অন্তত বছরে একবার তাদের পরিচয় পত্র চেক করা, তাদের হকার কার্ড চেক করা-এই বিষয়গুলো প্রতিনিয়ত একটি স্বাভাবিক পদ্ধতিতে যেন চলে।”

পুনর্বাসন ছাড়া বাঙালি হকার উচ্ছেদ চলবে না, পুরসভায় স্মারকলিপি জমা দিল বাংলা পক্ষ

পুনর্বাসন ছাড়া বাঙালি হকার উচ্ছেদ চলবে না, পুরসভায় স্মারকলিপি জমা দিল বাংলা পক্ষ

বাংলা পক্ষের দাবি, স্থানীয় নেতা কাউন্সিলর বা প্রশাসনের কাছে বাঙালির দখল হয়ে যাওয়া জমি ফ্ল্যাট ইত্যাদি বিষয়ে যে সব অভিযোগ আছে তা যেন খতিয়ে দেখা হয়। কোনও এলাকা থেকে বাঙালি বা ভূমিপুত্র বা স্থায়ী বাসিন্দা হকার উচ্ছেদ করা চলবে না। উচ্ছেদ করলে পুনর্বাসন দিতে হবে। বড়বাজার, রাজাবাজার, নিউ মার্কেট, খিদিরপুর, মেটিয়াবুরুজ, ধর্মতলা সহ সমস্ত বহিরাগত অধ্যুষিত এলাকা সহ পুরো কলকাতাতেই নজরদারি চালাতে হবে যাতে কোনও সময় বাইরের রাজ্য থেকে এসে কেউ বসে না যায়।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত