হরিয়ানা বিধানসভার প্রাক-মুহূর্তে কংগ্রেসে নাম লেখালেন দুই প্রতিবাদী কুস্তিগির বজরং পুনিয়া ও বিনেশ ফোগাট। বিগত কয়েকদিন ধরেই দু’জনের হাত শিবিরে যোগদানের জল্পনা চলছিল। অবশেষে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করে কংগ্রেসে যোগ দিলেন বজরং ও বিনেশ। সূত্রের খবর, হরিয়ানার জুলানা আসনে বিনেশকে প্রার্থী করতে পারে হাত শিবির। অন্যদিকে, বজরং লড়তে পারেন বাদলি আসন থেকে।
কুস্তির এরিনা থেকে বজরং পুনিয়া ও বিনেশ ফোগাট যে এবার রাজনীতিতে নামতে পারেন তা নিয়ে একটা জল্পনা চলছিলই। কারণ, প্যারিস থেকে বিনেশ দেশে ফেরার পর একটি বৈঠক করেন হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপিন্দর সিংহ হুডার সঙ্গে। তিনি বিনেশকে সংবর্ধনাও দেন। তাছাড়া, সর্বভারতীয় কুস্তি সংস্থার প্রাক্তন সভাপতি ব্রিজভূষণ সিংহের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিজেপি সরকারের বিপক্ষে একাধিকবার সরব হয়েছেন দুই তারকা কুস্তিগিরই। এবার আর জল্পনা নয়। সরাসরি রাজনীতিতেই নেমে পড়লেন বজরং ও বিনেশ।


বুধবার দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেন বজরং ও বিনেশ। তিন জনের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ বৈঠকও হয়। পাশাপাশি, কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কেসি বেণুগোপালের সঙ্গেও দেখা করেন দু’জন। হরিয়ানা বিধানসভার আগে সময় বলতে আর মাত্র এক মাস। ৫ অক্টোব্র থেকে শুরু হবে ভোটগ্রহণ। যে দু’টি আসনে তাঁদের প্রার্থী করা হতে পারে তার মধ্যে জুলানা আসন এই মুহূর্তে জননায়ক জনতা পার্টির দখলে। সেখানে প্রার্থী হতে পারেন বছর ত্রিশের বিনেশ। আর বাদলি আসনটি কংগ্রেসের নিজের দখলেই আছে। সেখানে রাহুলের বাজি হতে পারেন বজরং।
গতবছর ব্রিজভূষণ সিংহের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন বেশ কয়েকজন মহিলা কুস্তিগির। দিল্লির যন্তরমন্তরে শুরু হয় আন্দোলন। সেখানে লাগাতার অবস্থান বিক্ষোভে অংশ নেন বজরং এবং বিনেশ। এর আগে কৃষক আন্দোলনের সময়েও হরিয়ানা-দিল্লি সীমান্তে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে গিয়ে দেখা করেছিলেন বিনেশ। নিজেকে ‘কৃষক সন্তান’ বলে দাবিও তোলেন তিনি। বজরং আবার পদ্মশ্রী পুরষ্কার ফিরিয়ে দেন। সব মিলিয়ে, এই দুই তারকাই ‘মোদি-বিরোধী’ বলে পরিচিত। এবার তাঁরা যোগ দিলেন কংগ্রেস।







