নজরবন্দি ব্যুরোঃ এই নিয়ে চারবার। স্কুল সার্ভিস কমিশনের মামলা ফিরিয়ে দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সোমবার তিন বারের পর চতুর্থবারেও ফিরে গেল মামলা। মঙ্গলবার ফিরিয়ে দিল বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ। এ যেন নজিরবিহীন ঘটনা।
আরও পড়ুনঃ Fuel Price: ১৫ দিনে ১৩ বার বাড়ল পেট্রোপণ্যের মূল্য, ছয় জেলায় ডিজেল সেঞ্চুরি পার


এসএসসির শিক্ষক এবং কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে যে উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছিল, অভিযোগ উঠেছে সেই কমিটির বিরুদ্ধে। সেই কমিটির চার সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআইকে নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্টের অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। পরে রক্ষাকবচ চেয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় সমরজিৎ আচার্য, পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়, আলোক কুমার সরকার এবং টি পাঁজা।

সোমবার তিনটি ডিভিশন বেঞ্চে ঘোরে ওই মামলা। এর মধ্যে রয়েছে হরিশ টন্ডনের ডিভিশন বেঞ্চ, টি এস শিবাগননম এবং পরে সৌমেন সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ মামলা থেকে সরে দাঁড়ায়। এরপর জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেনে মামলা গড়ায়। মঙ্গলবার জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির কথা ছিল। ১৩ টি আবেদনের ভিত্তিতে মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। পরে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়ায় জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ।


এরপর প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান উপদেষ্টা কমিটির চার সদস্য। তখনই আইনজীবীকে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের বার্তা, আপনারা আদালতের প্রথা বজায় রাখুন। এর থেকে জুনিয়ররা কী শিখবে?
চতুর্থবারেও ফিরে গেল মামলা, সরে দাঁড়াল জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ৯৮ জনের মধ্যে প্রায় ৯০ জনের তালিকার মধ্যে নাম নেই। এই কাজ এসপি সিনহার নির্দেশে হয়েছে বলেই তথ্য রয়েছে আদালতের কাছে। তবে সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদ করলেও শান্তিপ্রসাদ সিনহাকে গ্রেফতার করা যাবে না। সেই ৯৮ জনের বেতন বন্ধের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। একইসঙ্গে নজরদারি কমিটির চার সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআইকে নির্দেশ দেয় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।







