নজরবন্দি ব্যুরোঃ কেষ্টর অভাবে খাঁ খাঁ করছে বীরভূমের তৃণমূল গড়। তবে জেলে বসেই দল কে নির্দেশ পাঠাচ্ছেন বীরভূমের জেলা সভাপতি। কিন্তু মাঠে ময়দানে নেমে রাজনীতি করা, জনসংযোগ গড়ে তোলা আর জেলে বসে রাজত্ব সামলানোর মধ্যে রয়েছে বিস্তর তফাৎ। কিন্তু ইডি- সিবিআইয়ের চক্রবূহ্যের থেকে কী পঞ্চায়েত ভোটের আগে মিল্বে স্বস্তি? আজ এই প্রথম কলকাতা হাইকোর্টে কেষ্টর জামিন মামলার শুনানি।আরও পড়ুনঃ পার্থ ও অর্পিতাকে পিএমএলএ আদালতে পেশ, জামিন মিলবে, নাকি হেফাজত?
প্রায় ১০০ দিন কেটে গেছে জেলের অন্দরেই দিন কাটছে তৃণমূলের দাপুটে নেতা অনুব্রতর। পঞ্চায়েত ভোটের আগে বীরভূমের গড়ে সংগঠন মজবুত করার জন্য কেষ্ট তেই আস্থা রাখছে তৃণমূল। জেলা সভাপতির শূন্যস্থানকে আপাত ভাবে সামাল দিতে হয়াছে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে। কিন্তু তারপরেই কেষ্টর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে মিঠুন চক্রবর্তীকে হাতিয়ার করেছে বিজেপি। কিন্তু জেলে বসেই জানিয়েছেন অনুব্রত, মিঠুনের চেয়েও বড়ো সভার আয়োজন করতে হবে। কিন্তু খুব শীঘ্রই বীরভূমের ময়দানে ফিরতে চান অনুব্রত। সেজন্যই আজকের মামলার আয়োজন।

আজ কেষ্টর হয়ে সওয়াল করার কথা বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিব্বলের। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে হবে এই মামলার শুনানি। সেখানে সিবিআই তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিচারক। তাই কেন তাঁকে জামিন দেওয়া হবে না তা নিয়ে হাইকোর্টে জোরদার সওয়াল করতে পারেন অনুব্রতর আইনজীবী। ফলাফল যাই হোক না কেন হাই ভোল্টেজ মামলার দিকে নজর থাকবে রাজ্যবাসীর।
এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে কী কেষ্টহীন বীরভূম? কারামুক্ত হতে মরিয়া অনুব্রত

ইতিমধ্যেই অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করেছে ইডি। অনুব্রতকেও দিল্লি নিয়ে যেতে চায় ইডি। কেষ্টকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে ইডি জেরা করতে পারবে কি না, তা নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে মামলাও দায়ের হয়েছে। সেই মামলার শুনানি সাত দিন পিছিয়ে পয়লা ডিসেম্বর ধার্য হয়েছে। তাঁর আগেই কী জামিন মিল্বে কেষ্টর, সেই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।









