বিজেপিকে “পগার পার” করার নিদান দিলেন বীরভূমের ভূমিপুত্র।

বিজেপিকে “পগার পার” করার নিদান দিলেন বীরভূমের ভূমিপুত্র।

নজরবন্দি ব্যুরো: বিজেপিকে “পগার পার” করার নিদান দিলেন বীরভূমের ভূমিপুত্র। ফের নিজের স্বমহিমায় ফিরলেন বীরভূমের ভূমিপুত্র। গুড় বাতাসা’, ‘পাঁচন’এর পর এবার বিজেপিকে হটাতে নতুন নিদান বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের । অনুব্রত মণ্ডল বললেন, “বিজেপি টাকা দিতে এলে নিয়ে নেবেন।তারপর ওদের ডাকিয়ে পগার পার করে দিন।”

আরও পড়ুনঃট্যাংরায় মহিলা-সহ ৫ বিজেপি কর্মীকে মারধর, অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে।

মঙ্গলবার মঙ্গলকোটে কেন্দ্র সরকারের কৃষিবিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদসভায় যোগ দিয়ে সাধারণের উদ্দেশ্যে এই বার্তা দিলেন অনুব্রত । এদিন মঙ্গলকোট বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত এদিনের জনসভায় মুল বক্তা ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল।ছিলেন বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অসিত মাল সহ অন্যান্যরা । এদিন বক্তব্যের প্রায় পুরোটাই বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগে যান অনুব্রত মণ্ডল । প্রসঙ্গত, গত শনিবার কাটোয়ার মুস্থুলি গ্রামে জনসভায় জেপি নাড্ডা মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের সম্পর্কে ভুল তথ্য তুলে ধরেছেন বলে স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ।

এদিন সেই প্রসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল বলেন,” ওরা গুজরাট থেকে এখানে আসছে।বড় বড় কথা বলছে । আর বাংলা সম্পর্কে, বাংলার সংস্কৃতি সম্পর্কে কিছু জানে না । নিমাই কোথায় দীক্ষা নিয়েছিল সোজা করে বলতে পারল না।এদের সঙ্গে কি আর তর্ক করব । এরা শুধু দাঙ্গা লাগাতে জানে।” এর পাশাপাশি কৃষকদের বাড়িবাড়ি ঘুরে ‘শষ্যভিক্ষা’র মাধ্যমে জেপি নাড্ডার “কৃষক সুরক্ষা অভিযান” কর্মসূচির সুচনাকে কটাক্ষ করে অনুব্রত মণ্ডল বলেন,”ওরা ভেক ধরেছে। ভেক না ধরলে ভিক্ষা পাওয়া যায়না।”

এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের প্রকল্পগুলির প্রসঙ্গ টেনে অনুব্রত মণ্ডল বলেন,” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মানুষদের জন্য ৬৯ টি প্রকল্প চালু রেখেছে । বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই প্রকল্পগুলো আর চালু রাখবে না ।” তারপর অনুব্রত মণ্ডল প্রশ্ন তোলেন,” বিজেপি তো মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতায় ছিল । উত্তরপ্রদেশে, গুজরাটে, হরিয়ানা ছত্রিশগড় অনেক রাজ্যেই ক্ষমতায় রয়েছে।তাহলে ওইসব রাজ্যে কেন বাংলার মতন এমন প্রকল্প চালু হল না ?”

বিজেপিকে “পগার পার” করার নিদান দিলেন বীরভূমের ভূমিপুত্র। এদিন সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে নিশানা করে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, “দিলীপ ঘোষ আজ স্বাস্থ্যসাথী কার্ড করিয়ছে।ওর ফ্যামিলিরা স্বাস্থ্যসাথী কার্ড করিয়েছে। দিলীপ ঘোষ দেখছে দলটা মুছে যাবে। উপায় নেই। তার আগে সারেন্ডার করি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x