কোটা বা সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনে বিধ্বস্ত গোটা বাংলাদেশ। বিগত কয়েকদিন ধরে গোটা বাংলাদেশে এই আন্দোলনের ঢল নেমেছে। পুলিশ এবং ছাত্রদের সংঘর্ষে ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে শতাধিক। এই আন্দোলনের মধ্যেই আজ সংরক্ষণ আইনের বিরোধিতাই সুপ্রিম কোর্টের রায় বেরিয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্য যে ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল তা কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হলো।

এই রায় বেরোনোর পরে ভাবা হয়েছিল হয়তো এবার আন্দোলনকারীরা সন্তুষ্ট হবেন। সেইমতো দেশের সরকার ছাত্র-ছাত্রীদের কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাস করার অনুরোধ জানিয়েছিল। কিন্তু কোথায় কি। বেশ কিছু সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী এই রায়ের পরেও আন্দোলনে জল ঢালা যায়নি। দেশজুড়ে এতোটুকু কমেনি বিক্ষোভ কর্মসূচি।

আন্দোলনকারীদের বক্তব্য বাকি দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। এখনো পর্যন্ত আন্দোলনে যাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদেরকে অতি সত্তর নিঃস্বার্থ মুক্তি দিতে হবে। বাংলাদেশের একাধিক সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী বলা হচ্ছে ৫ শতাংশ সংরক্ষণেও আপত্তি রয়েছে আন্দোলনকারীদের। তারা চাই পুরো কোটা সিস্টেমই যাতে উঠে যায়। ১০০ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে যাতে সকলে কাজের সুযোগ পান।
আংশিক নয় পুরো কোটা সিস্টেম তুলে দিতে হবে, সুপ্রিম রায়ে সন্তুষ্ট নয় ওপার বাংলা, আন্দোলন জারি

এছাড়াও তাদের দাবি এই আন্দোলনে যে সমস্ত পুলিশ আধিকারিকরা আন্দোলনরত ছাত্রদের উপর দমনপীড়ন করেছে তাদের সকলকে পদত্যাগ করতে হবে। এছাড়াও অনেকেই চাইছেন হাসিনা সরকারের অবসান। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নন আন্দোলনকারী ছাত্ররা। ফলে যেটা ভাবা হয়েছিল যে আন্দোলন হয়তো আর হবেনা, বাস্তবে এক্ষুনি যে সেটা হবার নয় তা আন্দোলনকারীদের মনোভাবের স্পষ্ট।



