অন্নপূর্ণার ফর্ম ফিলআপ না করলে কি বন্ধ হবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার? জেনে নিন খুঁটিনাটি তথ্য

অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিলআপ বাধ্যতামূলক বলেই জানাল রাজ্য সরকার। তবে আবেদন না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ হচ্ছে না লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের দেড় হাজার টাকা।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিলআপ ঘিরে রাজ্যের মহিলাদের মধ্যে বাড়ছে কৌতূহল। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের উপভোক্তাদের কি নতুন করে আবেদন করতে হবে? ২ জুনের মধ্যে ফর্ম পূরণ না করলে কি বন্ধ হয়ে যাবে মাসিক ভাতা? বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এই সমস্ত প্রশ্নেরই স্পষ্ট জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এতদিন যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পেতেন, তাঁরাও অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় মাসে ৩ হাজার টাকা পাবেন। তবে তার জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ বাধ্যতামূলক। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে টানা ৯০ দিন।

বুধবার থেকেই অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে। অফলাইনে ফর্ম জমা নেওয়া শুরু হবে শুক্রবার থেকে। সরকার সূত্রে খবর, যাঁরা ২ জুনের মধ্যে ফর্ম পূরণ করে নথিভুক্ত করতে পারবেন, তাঁদের অ্যাকাউন্টে ৩ জুন থেকেই ৩ হাজার টাকা পৌঁছে যাবে।

তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফর্ম পূরণ না করতে পারলেও আপাতত চিন্তার কারণ নেই। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বর্তমান লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের উপভোক্তারা ফর্ম পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আগের মতোই দেড় হাজার টাকা পেতে থাকবেন।

পরবর্তীতে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম পূরণ ও যাচাই সম্পূর্ণ হলে সেই মহিলাদেরও ৩ হাজার টাকার আওতায় আনা হবে। অর্থাৎ ফর্ম ফিলআপ না করলে সঙ্গে সঙ্গে টাকা বন্ধ হচ্ছে না, তবে নতুন প্রকল্পের সুবিধা পেতে আবেদন করতেই হবে।

শুভেন্দুর দাবি, প্রকল্পে স্বচ্ছতা আনতেই এই নতুন যাচাই প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। তাঁর কথায়, বহু মৃত ব্যক্তি, অবৈধ উপভোক্তা এমনকি পুরুষদের নামেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা যাচ্ছে বলে অভিযোগ এসেছে সরকারের কাছে।

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৩০ লক্ষ ‘অবৈধ’ উপভোক্তার হদিশ মিলেছে। সেই কারণেই নতুন করে তথ্য যাচাই ও ফর্ম পূরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নাগরিকত্ব, পরিচয়পত্র এবং অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখেই চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হবে।

তিনি আরও জানান, প্রকৃত ভারতীয় মহিলা নাগরিকদের কোনও চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। নিয়ম মেনে ফর্ম পূরণ করলেই তাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় মাসে ৩ হাজার টাকা পাবেন।

রাজ্য সরকারের তরফে আরও জানানো হয়েছে, অনলাইন আবেদন ছাড়াও ব্লক, পুরসভা ও পঞ্চায়েত স্তরে শিবির করে ফর্ম পূরণে সাহায্য করা হবে। প্রয়োজনে বাড়ি বাড়ি গিয়েও সরকারি কর্মীরা আবেদন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবেন।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

Arka Sana

Arka Sana

Founder & Editor, Najarbandi
16+ Years Experience • Political Reporting • Investigative Journalism • Digital Publishing

অর্ক সানা একজন সাংবাদিক, সম্পাদক, মিডিয়া উদ্যোক্তা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক। অপরাধ সাংবাদিকতা, রাজনৈতিক রিপোর্টিং, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং ডিজিটাল নিউজ প্রকাশনায় তাঁর ১৬ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি নজরবন্দি-র প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক।

View Full Author Profile →

আরও খবর