নজরবন্দি ব্যুরোঃ গতকাল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে সাক্ষাতের পরেই উত্তরবঙ্গের বিভাজন সরব হয়েছিলেন দ্য গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা অনন্ত মহারাজ। এক দিন কাটতে না কাটতেই কোচবিহারের রাসমেলার সরকারি অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পেলেন অনন্ত মহারাজ। তবে কী তাঁর মত বদলের চেষ্টা করছে তৃণমূল? রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
আরও পড়ুনঃ Roger Binny: আফ্রিদির ভারত বিদ্বেষ মন্তব্যের পাল্টা দিলেন BCCI প্রেসিডেন্ট রজার বিনি


এবার কোচবিহারে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ২১০ তম রাসমেলা। সেখানে আমন্ত্রিত হয়েছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী উদয়ন গুহ এবং বলুচিক বরাইক। সেই তালিকায় রয়েছে অনন্ত মহারাজের নাম। শনিবার আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের তরফে। কিন্তু এর সঙ্গে রাজনৈতিক কোনও যোগ খুঁজে পাচ্ছেন না মন্ত্রী।

কোচবিহার তথা উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে বিরাট ভূমিকা থাকে দ্য গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা অনন্ত মহারাজের। গত কয়েক বছরে উত্তরবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। কোচবিহারে এখন বিজেপির দাপট রয়েছে। কিছুদিন আগেই অনন্ত মহারাজের জন্য উপহার পাঠিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরেই গতকাল দীর্ঘ সময় ধরে নিশীথ প্রামাণিকের সনেগ দেখা করেন তিনি।
এরপরেই অনন্ত মহারাজ দাবি করেন, দ্রুত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। সময় কত লাগবে সেটা আমি বলতে পারব না। সেটা সময় বলবে। সেটা সময় লাগলেও হচ্ছে। সরকার যেটা বক্তব্য রাখার সেটা দিয়েছে। সেটা তো বারবার দিতে পারে না। একশো শতাংশ সঠিক যে নতুন রাজ্য হচ্ছে।


সরকারি অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পেলেন অনন্ত মহারাজ, উত্তরবঙ্গ ঘিরে বাড়ছে জল্পনা

যদিও এর মধ্যে রাজনীতি দেখতে পাচ্ছে না তৃণমূল। কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ জানিয়েছেন, কোচবিহারের রাসমেলার অনুষ্ঠান অত্যন্ত জনপ্রিয়। জেলার প্রত্যেক বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ঐতিহ্যবাহী রাসমেলা উৎসবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ঠিক সে কারণেই অনন্ত মহারাজকেও ডাকা হয়েছে। এছাড়া আর কিছুই না। এর সনেগ রাজনীতির যোগ নেই বলে দাবি করেছেন তিনি।








