Ashwini Vaishnaw: ফিরে আসা কালো টাকার পরিমাণ কত? জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ কালো টাকা উদ্ধার করতেই ২০১৬ সালে নোটবাতিল করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার সুফল হিসাবে ১ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। সোমবার এমনটাই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁর কথায় এখনও ৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকার বেআইনি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। ফিরে আসা কালো টাকার পরিমাণ কত?  তা কী স্পষ্ট করলেন মন্ত্রী?

আরও পড়ুনঃ Midnight Police: গভীর রাতে রাস্তায় ঘুরলেই ধরবে পুলিশ, দিতে হবে মোটা অঙ্কের জরিমানা

শুধুমাত্র বড়লোকদের কথা নয়, সমস্ত দরিদ্রদের পরিষেবা পৌঁছে দুতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁর কথায়, রাজীব গান্ধী কেবলমাত্র ১৫ শতাংশ গরীব কল্যাণ প্রকল্পের জন্য রেখেছিলেন, সেখানেও সকলের কাছে টাকা যেত না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ২৬ লক্ষ কোটি টাকা সরাসরি গরীব মানুষের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার হয় এবং প্রায় ২ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকা সঞ্চিত হয়। অর্থাৎ সরকারের বরাদ্দ অর্থের ১০০ শতাংশ গরীব মানুষ পাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ফিরে আসা কালো টাকার পরিমাণ কত? কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে জল্পনা 
ফিরে আসা কালো টাকার পরিমাণ কত? কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে জল্পনা

তাঁর দাবি, ২০১৪, ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচন এবং সম্প্রতি গুজরাতের নির্বাচন গুড গভর্নেন্সের জন্যেই জয়লাভ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রী নিজেও গুড গভর্নেন্সের ওপর বিরাটভাবে বিশ্বাস করে। দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য এটা ভীষণ জরুরী। কোনও পরিকল্পনা নেওয়া হলে সেটা বাস্তবায়নের দিকে নজর দেন প্রধানমন্ত্রী। তাই প্রত্যেকটি বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের মানুষের বিশ্বাস আরও বাড়ছে।

ফিরে আসা কালো টাকার পরিমাণ কত? কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে জল্পনা 

ফিরে আসা কালো টাকার পরিমাণ কত? কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে জল্পনা 
ফিরে আসা কালো টাকার পরিমাণ কত? কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে জল্পনা

 প্রধানমন্ত্রীর গুড গভর্নেন্সের মধ্যে প্রথম হল, ডিজিটাল বিস্তৃতি। ডিজিটাল টেকনোলজি প্রথম শুরু হয়েছিল ৪৫ কোটি জন ধন অ্যাকাউন্টের মধ্য দিয়ে।  গুড গভর্নেন্সের দ্বিতীয় পরিধি হিসেবে তিনি কোভিড মহামারীর সময় ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন। যার মাধ্যমে ২১৬ কোটি ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এমনকি ১২৫ কোটি কৃষককে সরাসরি ডিজিটাল প্লাটফর্মের আওতায় নিয়ে এসে তাদের অ্যাকাউন্টে কিষাণ সম্মান নিধির টাকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত