অনিয়ন্ত্রিত সুগারই কাল! রাজ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সকল আক্রান্তই ডায়বেটিস রোগী

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ অনিয়ন্ত্রিত সুগারই কাল! অন্তত বিশেষজ্ঞরা তাই মনে করছেন। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের কবলে বেশিরাগ রয়েছেন অনিয়ন্ত্রির সুগারের রোগীরাই। দেশ জুড়ে করনার দ্বিতিয় ঢেউয়ের আতঙ্কেও মধ্যেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে ফাঙ্গাসকে নিয়ে। একে একে শরীরে পাওয়া গেছে ব্ল্যাক, হোয়াইট, এমনকি ইয়লো ফাঙ্গাসও।

আরও পড়ুনঃ ইয়াস মোকাবিলায় প্রস্তুত বায়ুসেনা, রাজ্যে এসে পৌঁছাল ত্রাণ সহ যুদ্ধবিমান-হেলিকপ্টার

ইতমধ্যে দেশ জুড়ে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের আক্রান্তের তালিকা বাড়ছে দিন দিন।বাংলাতেও বাড়ছে সংক্রমনের তালিকা। কেন্দ্র সরকার ইতিমধ্যেই কালো ছত্রাককে মহামারী আখ্যা দিয়েছে। পরিত্রাণের জন্য রাজ্য সরকার লাগু করেছে একাধিক নিয়মাবলী। রাজ্যের জেলায় জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে এই ফাঙ্গাসের প্রকোপ।

গতকাল, সোমবার রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে জানানো হয়েছিল, রাজ্যে এই মুহূর্তে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রামিত হয়েছে মোট ১২ জনের শরীরে। ১২ জনের মধ্যে ৫ জন বিহার এবং ঝাড়খন্ডের বাসীন্সদা বলেও জানানো হয়েছে। তবে অবাক করার বিষয়, রিপোর্ট বলছে প্রত্যেকেরই কোভিড থেকে সুস্থ হওয়ার পরেই শরীরে থাবা বসিয়েছে ছত্রাক, এবং  স্বাস্থ্যকর্তাদের দাবি এই ১২ জনই ডায়বেটিসের রোগী, এবং সুগারের মাত্রা হাই।

করোনার ভয়াবহতা মধ্যেই ফের এই ফাঙ্গাসের সংক্রমণে কপালে ভাঁজ পড়েছে চিকিৎসক মহলের, চিন্তায় রাজ্য সরকার। বাংলায় প্রথম তিন ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণ ধরা পড়ে, কলকাতায়, বাঁকুড়ায়, এবং ১ জন উত্তরবঙ্গে। সেই কারণে এই তিন জেলার জেলা হাসপাতালের ওপর এই চিকিৎসার বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসএসকেএম, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ এবং বাঁকুড়া সম্মিলনি মেডিক্যাল কলেজে এই রোগের প্রথম চিকিৎসা হওয়ায় এই বাড়তি দায়িত্ব।  এছাড়া রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে ফাঙ্গাস সংক্রমন হলে তা স্বাস্থ্য ভবনকে জানানো অবশ্যিক। এতে রোগীর দ্রুত চিকিৎসা পরিষেবা সম্ভব।

 

 

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত