নজরবন্দি ব্যুরো: তৃণমূল মুখপত্রে লিখে ভুল করেছেন, অবশেষে সিপিআইএম রাজ্য নেতৃত্বের কাছে ক্ষমা চাইলেন অনিল কন্যা অজন্তা বিশ্বাস। তৃণমূলের মুখপাত্র ‘জাগো বাংলা’তে তার লেখা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল সিপিআইএম-এর অন্দরে। প্রশ্ন উঠেছিল একজন বামপন্থী ঘরের মেয়ে হয়ে কিভাবে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ‘জাগো বাংলায়’ লিখলেন?
আরও পড়ুনঃ মামলা চলছে আদালতে, পেগাসাস নিয়ে সংসদে আলোচনা চান না মোদি-শাহ


সিপিআইএম রাজ্য নেতৃত্ব এই ঘটনা নিয়ে তার কাছে জানতে চেয়েছিল বা এক কথায় শোকজ করা হয়েছিল।সূত্রের খবর এবার সেই শো কজের উত্তর দিয়ে তিনি নাকি ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন। অজন্তা চিঠিতে লিখেছেন তৃণমূলের মুখপত্রে লেখার জন্য কেউ যদি দুঃখ পেয়ে থাকেন তাহলে তিনি দুঃখিত। জাগো বাংলায় লেখার জন্য তিনি অনুতপ্ত। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে সে বিষয়ে সতর্ক থাকবেন তিনি।
তৃণমূল মুখপত্রে লিখে ভুল করেছেন, তাই ক্ষমা চাইলেন অজন্তা! কিন্তু যে লেখা নিয়ে এতো আলোচনা যার জন্য অবশেষে ক্ষমা চাইতে হলো অনিল কন্যাকে সেই লেখায় আদতে কি ছিল? এই লেখা নিয়ে যখন সিপিএমের অন্দরে বিতর্ক চলছে তখন অজন্তা নিজে জানিয়েছিলেন, “আমি ইতিহাসের শিক্ষার্থী আমার গবেষণার অন্যতম বিষয় বঙ্গনারী। বেশ কিছুদিন ধরে এই নিয়ে আমি গবেষণা করছি।
এমনই একটি লেখা প্রাক স্বাধীনতার পূর্বে অবিভক্ত বাংলা এবং পশ্চিমবাংলার রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ এই লেখায় কংগ্রেসী নেত্রীদের কথা যেমন আছে তেমনি এসেছে বামপন্থী নেত্রীদের অবদানের প্রসঙ্গও। রাজনীতিতে নারীদের ভূমিকা নিয়ে লিখতে গেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ও প্রসঙ্গ অত্যন্ত স্বাভাবিক। তিনি বাংলার প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। মহিলা নেত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন তিনি পুরুষপ্রধান রাজনীতির অসময়ে নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন”।


তৃণমূল মুখপত্রে লিখে ভুল করেছেন, ক্ষমা চাইলেন ‘অনুতপ্ত’ অজন্তা
এই প্রসঙ্গে শুরু হওয়া বিতর্ক এবং সিপিআইএম পাটির মধ্যে যে একটা অসস্থি কাজ করছিল, অজন্তার এই ক্ষমা চাওয়া চিঠি তাতে হয়ত অনেকটা প্রলেপ দিল বলে মনে করছেন অনেক বামপন্থী নেতা।







