নজরবন্দি ব্যুরোঃ CPM নেতার কন্যার চোখে মমতাই ‘সেরা জননেত্রী’! বাংলার রাজনীতিতে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবদান লিখতে গিয়ে সেকথাই লিখেছেন অনিল বিশ্বাসের কন্যা অজন্তা বিশ্বাস। পারত পক্ষে অজন্তার এই কিস্তির দিকেই তাকিয়ে ছিলেন সকলে। বাম নেতার কন্যার কলম কোন পরিচয় দেবে মমতার।
আরও পড়ুনঃ বিতর্কের মাঝেই এলো অজন্তার তৃতীয় কিস্তি, এখনো আসেনি মমতার কথা


প্রথম কিস্তির পর থেকেই একে একে দ্বিতীয় তৃতীয় কিস্তিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা না আসায় অপেক্ষা বেড়েছিল আরও, বেড়েছিল আগ্রহ আর জল্পনা। সেসবের অবসানে আজ তৃণমূলের মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’য় চতুর্থ তথা শেষ কিস্তি প্রকাশ পেয়েছে।
জাগো বাংলাতে উত্তর সম্পাদকীয় লিখছেন সিপিএমের মুখপত্র ‘গণশক্তি’র একদা সম্পাদক অনিল বিশ্বাসের কন্যা অজন্তা। প্রথম কিস্তি বেরনোর পরেই শুরু হয়েছিল জল্পনা, হঠাত তৃণমূলের মুখপত্রে অজন্তা কেন…অজন্তার লেখনীর বিষয় বঙ্গ রাজনীতিতে নারীশক্তি। সম্পাদকীয় টির স্ট্র্যাপে লেখা বাসন্তীদেবী থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
CPM নেতার কন্যার চোখে মমতাই ‘সেরা জননেত্রী’

আজ মমতার কথা লিখতে গিয়ে বাংলার রাজনীতিতে অন্যতম সেরা নারী বলে উল্লেখ করেছেন। ছাত্র রাজনীতি থেকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ওঠার জার্নি লিখে অনিল কন্যা বিশ্লেষণ করেছেন নিজের যুক্তি, নিজের মতামত। শেষ কিস্তিতিতে মমতার রাজনীতির আঙিনায় পদার্পণ, সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম পেরিয়ে বাংলার মসনদে বসা সব তুলে ধরেছেন।


প্রতিবারের লড়াইয়ে দিনে দিনে মমতা কিভাবে বাঙ্গালির কাছে ‘দিদি’, অগ্নিকন্যা, বাংলার ঘরের মেয়ে হয়ে উঠেছেন সেই বিশ্লেষণ দিয়েছেন অধ্যাপক অজন্তা বিশ্বাস। সঙ্গে বাংলার মেয়েদের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কন্যাশ্রী’, ‘রূপশ্রী’, ‘সবলা’ এর মতো একাধিক প্রকল্পের রূপায়ণ বাংলার মেদের জন্য কী সুবিধা এনেছে, আর এসবের মাধ্যমে তিনি আরও কতটা কাছে পৌঁছেছেন মা-বোনেদের লিখেছেন সেসব কথাও।

অজন্তা লিখেছেন একজন বাঙালি নারী হিসেবে প্রথম কোন সর্বভারতীয় দল গঠন করে বিশ্বের কাছে নজীর গড়েছেন মমতা। সঙ্গে রেলমন্ত্রীর সময় থেকে লেডিস স্পেশ্যাল হোক বা নিজে মুখ্যমন্ত্রী থাকা কালীন রাজ্যের মেয়েদের জন্য একাধিক প্রকল্প। বারবার মেয়েদের পাশে কিভাবে দাঁড়িয়েছেন তুলে ধরেছেন তাও। সঙ্গে করোনা কালের পরিস্থিতি যেভাবে সামলেছেন তিনি ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তারও।
তৃণমূলের মুখপত্রে লেখার জন্য প্রথম থেকেই অজন্তাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে জল্পনা। শুরু হয়েছে বিতর্ক। সিপিএম সূত্রের খবর ছিল জবাবদিহি চাওয়া হবে অনিল-কন্যার কাছে। ঘরের মেয়ের অন্য দলের মুখপত্রের হয়ে কলম ধরার বিষয়ে রাজ্য জুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিতর্কের সমাধান করার দায়িত্ব যাচ্ছে মেয়ের কাঁধেই। আর সেই কারণেই সিপিএমের অধ্যাপিকা এবং ওয়েবকুটার সদস্যা অজন্তার কাছে উত্তর চাইবে সিপিএমএর অধ্যাপক সংগঠন ওয়েবকুটা।

দ্বিতীয় কিস্তি থেকেই নজর রাখা হচ্ছে তাঁর সব কিস্তির প্রতিটা লাইনের ওপর। অপেক্ষা ছিল সব পেরিয়ে মমতা সম্পর্কে কী লিখছেন অনিল কন্যা। অপেক্ষা অবসানে দেখা গিয়েছে নিজের কলমে বাংলা রাজনীতিতে অন্যতম সেরা নারী হিসেবে মমতা’র নামই লিখলেন তিনি। সব মহলই একবাক্যে মনে করেছে এতে বিতর্ক কমা তো দূর আরও বহুগুন বাড়িয়ে দিলেন বাম নেতার কন্যা।







