নজরবন্দি ব্যুরোঃ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শহরের পাঁচতারাতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশেষ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানে অন্যান্য অভিনেতা অভিনেত্রীদের পাশাপাশি ঐন্দ্রিলাকেও মরণোত্তর কৃতী সম্মান দেওয়া হয়। মঞ্চে উঠে পুরস্কার নেন ঐন্দ্রিলার মা। এর পরেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
আরও পড়ুনঃ শূন্যস্থান ভরাট! আলিয়ার পরিবর্তে সীতার ভুমিকায় সাঁই পল্লবী!


প্রায় নয় মাস হতে যায় শিখা শর্মা তার ছোট মেয়ে ঐন্দ্রিলাকে হারিয়েছেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিখা শর্মার সঙ্গে ঐন্দ্রিলার প্রেমিক সব্যসাচী চৌধুরীও। অনুষ্ঠান শেষে তারা বহরমপুর ফিরে যায়। সেই রাতে ঐন্দ্রিলাদের বাড়িতেই ছিলেন সব্যসাচী। এরপর রাতে খাওয়া দাওয়া করে তিনি নিজের বাড়ি ফিরে যান। ঐন্দ্রিলার মৃত্যুর পরও যে তিনি কতটা তার পরিবারের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে তার আভাস এখানেই পাওয়া যায়।

তবে ঐন্দ্রিলা না থাকার যন্ত্রণা এখনও তারা বয়ে বেড়াচ্ছে। ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর তিনি মারা যান। এর আগে আরও একবার তার ক্যান্সার হয়েছিল কিন্তু তা থেকে তিনি বেরিয়ে এসেছিলেন। ফের দ্বিতীয়বার ক্যান্সার হওয়ার পর তিনি আর এই মারন রোগ থেকে সেরে উঠতে পারেনি। ধীরে ধীরে তার শরীরে কবজা করে তাকে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে দিয়েছে।
“এটা কি মরণোত্তর সম্মান পাওয়ার বয়স!” অবেগপ্রবন অভিনেত্রীর মা

সম্প্রতি এক প্রথম সারির সংবাদপত্রে এক সাক্ষাৎকারে প্রয়াত ঐন্দ্রিলার মা জানিয়েছেন “পুরস্কার নিয়ে একটুও ভাল লাগেনি। এটা কি বয়স মরণোত্তর সম্মান পাওয়ার বয়স আমার মেয়েটার? খুব কষ্ট হচ্ছে। এমন সম্মান তো মঞ্চে উঠে ওর ছেলেমেয়ের নিতে যাওয়ার কথা ওর বয়সকালে। সেখানে আমাদের নিতে হল। এই কষ্টটা যে কী করে কমবে, কিছুতেই বুঝতে পারছি না। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্তরিকতার জবাব নেই।”









