নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যপাল কে এড়িয়ে কেন উপাচার্যরা ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নিলেন না? পড়ুয়াদের স্বার্থের কথা ভেবে কেন উপাচার্য রাজ্যের অঙ্গুলিহেলনে কাজ করছেন? প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল জাগদীপ ধনকার। করোনা আবহে কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা বিতর্কে রাজ্যের বিরুদ্ধে এবার সরাসরি সংঘাতে নামলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধানকর।
কয়েক দিন আগে রাজভবনে শিক্ষামন্ত্রী ও উচ্চশিক্ষা সচিবের দরবারের পরে পরীক্ষা-দৌত্যে সম্মতি জানিয়েছিলেন আচার্য-রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তার ফলে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত বর্ষ ও চূড়ান্ত সিমেস্টারের ‘বাধ্যতামূলক’ পরীক্ষার কেন্দ্রীয় নির্দেশকে ঘিরে জটিলতার সুরাহা হবে বলে আশা করছিল শিক্ষা শিবির। কিন্তু তার আগে বুধবার আচার্যের ডাকা ভার্চুয়াল বৈঠকে যোগ দিলেন না রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্যেরা। এতে তিনি যে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ, আচার্য তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি বলেন ‘বাংলার শিক্ষার মান নেমে গিয়েছে। সবকিছুর পিছনে রাজনীতি রয়েছে।


টাকা নিয়ে ভরতি করা হচ্ছে। এর ফলে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। রাজ্যের ছেলেমেয়েরা মাইগ্রেন্ট লেবার হয়ে বাইরে চলে যাচ্ছে কারণ এখানে কোনও কাজ নেই।’ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপালকে চিঠিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, উপাচার্যরা এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলি স্বাধীন ভাবে কাজ করে। শিক্ষা দফতরের তত্ত্ববধানে গোটা পরিকাঠামো পরিচালিত হয়। মুখ্যমন্ত্রীর এই চিঠির পরই বুধবার টুইটারে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। ‘রাজনৈতিক খাঁচায়’ শিক্ষা বন্দি হলে ধ্বংসাত্মক এবং আত্মঘাতী হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। বৃহস্পতিবার ফের এই ইস্যুতে রাজ্যের সমালোচনা করলেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ ভারতে ৯৯ চিকিৎসকের মৃত্যু করোনায়! ভ্যাকসিনের সুখবর দিলেন ট্রাম্প।
এদিকে, রাজ্যপালের এই ভূমিকার পাল্টা সমালোচনা করেছে রাজ্য প্রশাসন।রাজ্যপালের অভিযোগের উত্তরে শিক্ষা দফতরের জবাব, ‘বিশ্ববিদ্যালয়-আচার্য যোগাযোগ অনুমোদন সাপেক্ষ। শিক্ষা দফতরের মারফত্ করতে হবে যোগাযোগ। আচার্যের কোনও সচিবালয় থাকতে পারে না। রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ৮(৫) নম্বর ধারায় উল্লেখ।










