নজরবন্দি ব্যুরো: দীর্ঘ দড়ি টানাটানির পর ট্রাম্পকে সরিয়ে হোয়াইট হাউসের দখল নিয়েছে ডেমোক্রট প্রার্থী জো বিডেন। সঙ্গী উপরাষ্ট্রপতি ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিস। ওবামার সময়ের উপরাষ্ট্রপতি পদ সাফল্যের সঙ্গে সামলেছেন বিডেন। জয়ের পরই তিনি জানিয়েছেন ভারত ও সুপার পাওয়ার আমেরিকার সম্পর্ক আরো মজবুত করার জন্য সর্বত চেষ্টা চালিয়ে যাবেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ অর্নব গোস্বামীর জামিনের আবেদন খারিজ করল মুম্বাই হাইকোর্ট।
রাষ্ট্রপতি পদে জয়ী হয়েই, আরো গভীর হবে দুই দেশের বন্ধুত্বের সম্পর্ক. ২০০৬ এ এক বিবৃতিতে তিনি বলেছিলেন ‘২০২০ সালে ভারত এবং আমেরিকা আরও কাছাকাছি চলে আসবে। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর হবে’। পরবর্তীতে ইন্দো-মার্কিন পারমাণবিক চুক্তিতে বিডেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। সেইসঙ্গে জানা গিয়েছে, তিনি ইউএনএসসি তে ভারতের দাবীর পক্ষে সমর্থন করবেন।ইউএনএসসি-তে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ লাভের পক্ষে সমর্থন বিডেন নির্বাচনী নীতিমালায় বলেছেন,ইউএনএসসি -তে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ লাভের বিষয়ে ভারতকে সাহায্য করবে।
পাশাপাশি, সন্ত্রাসবাদ দমনে এবং ভারতের অন্যান্য সিদ্ধান্তে ভারতকে সমর্থন করবে। সন্ত্রাসবাদ, জলবায়ু পরিবর্তন, স্বাস্থ্য ও বাণিজ্য সহ নানান গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও ভারতের সঙ্গে আলােচনায় বসতে পারে বলে জানা গিয়েছে। স্বপ্ন পূরণের পথে বিডেন সূত্রের খবর, মার্কিন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামার সময়কালে উপরাষ্ট্রপতি হিসাবে বিডেন বিভিন্ন বিষয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার জন্য নানান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
রাষ্ট্রপতি পদে জয়ী হয়েই, বিডেনের কথা মতাে ২০২০ সাল থেকে না হলেও, আগামী ২০২১ সালের ২০ শে জানুয়ারী থেকে মার্কিন রাষ্ট্রপতির পদে অবতীর্ণ হয়ে তার সমস্ত স্বপ্ন পূরণের পথে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাবেন।পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ভারতের সঙ্গে আলােচনায় বসার আশ্বাসও দিয়েছেন।



