নজরবন্দি ব্যুরোঃ অবশেষে তালিবানের কবজায় আফগানিস্তান । কুড়ি বছর পর ফের মসনদে ফিরল তারা। রবিবারই কাবুলের দোরগোড়ায় তালিবান উপস্থিত হওয়ার পরেই বোঝা গিয়েছিল অপেক্ষা আর সামান্যই। তালিবানের এক মুখপাত্র জানিয়ে দেন, জনবহুল কাবুলে যুদ্ধ করতে চায় না তালিবান। আলোচনার মাধ্যমেই আফগান সরকারের থেকে ক্ষমতার হস্তান্তর চায় তারা।
আরও পড়ুনঃ রাজ্য সরকারের টেলিমেডিসিন প্রকল্প ‘ইঙ্গিত’ এর ব্যাপক সাফল্য, উপকৃত বহু মানুষ


এরপরই আফগান প্রেসিডেন্ট আশরফ ঘানি ইস্তফা দেন। আর এরপরই আফগানিস্তানে তালিবান শাসনের নয়া অধ্যায়ের সূচনা হয়।গত দেড়মাস ধরেই দুরন্ত তালিবানি হামলা চলছে আফগানিস্তান জুড়ে। তালিবান-আমেরিকা চুক্তি অনুযায়ী এ বছর ৯ মার্চ থেকে আফগানিস্তান থেকে সেনা সরাতে শুরু করে আমেরিকা। তার পরেই ঝাঁপিয়ে পড়ে তালিবান।
জুন মাসের শেষে আফগান বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ বাঁধে তাদের। এর পরে গত সপ্তাহ থেকে একের পর এক বড় শহর দখল করতে শুরু করে তালিবান। কুন্দুজ, গজনী, কান্দাহার, হেরাটের পরে কাবুলের দিকে এগিয়ে আসছিল তারা। আজ, রবিবার বেলা গড়াতেই রাজধানী কাবুল কার্যত ঘিরে ফেলে তালিবান। এর পর সরাসরি আশরফ এবং আমেরিকার কূটনীতিবিদদের সঙ্গে সমঝোতা চান বলে দাবি করেন তালিবান নেতৃত্ব। জানিয়ে দেন, গায়ের জোরে কাবুল দখল করতে চান না তাঁরা।
শান্তিপূর্ণ ভাবে ক্ষমতার হস্তান্তর চান।এর পরেই মার্কিন কূটনীতিবিদ এবং ন্যাটো প্রতিনিধিদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন আশরফ। তার পর বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয় তালিবান নেতৃত্বকে। সেই মতো মোল্লা আবদুল গনি বরাদরের নেতৃত্বে প্রেসিডেন্টের বাসভবনের উদ্দেশে রওনা দেয় তালিবানের একটি প্রতিনিধি দল।


অবশেষে তালিবানের কবজায় আফগানিস্তান! ফের শুরু তালিবান শাসন
আফগানিস্তানের নয়া প্রেসিডেন্ট হতে পারেন আবদুল গনি বরাদর। তিনি প্রেসিডেন্ট ভবনে চলে এসেছেন বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আফগানিস্তানের বিভিন্ন জেলে বন্দি তালিবানদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে। রাস্তায় নেমেছে মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দিদের ঢল। দ্রুত সরানো হচ্ছে আফগানিস্তানে থাকা ভারতীয়দের।







