নজরবন্দি ব্যুরো: ২১ এর নির্বাচনে সুবিধা পেতে পুরভোট করাচ্ছে না শাসক দল, নির্বাচনে অনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্যই পুরভোট করাতে পারছেন না তারা। তাই শেষমেশ ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল আরোরাকে চিঠি লিখে অভিযোগ জানালেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী । মঙ্গলবার লেখা ওই চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের অনেক পুরসভায় নির্বাচিত কাউন্সিলারদের মেয়াদ ফুরিয়ে গেলেও সেখানে নির্বাচন না করিয়ে প্রশাসক বসিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকার। নিজেদের রাজনৈতিক অভিসন্ধি পূরণের জন্যই সাংবিধানিক রীতিনীতিকে লঙ্ঘন করছে তারা। আসলে মে মাসে হতে চলা বিধানসভা নির্বাচনের সময় অনৈতিক সুবিধা লাভের আশায় রাজ্যের পুরসভাগুলিতে নির্বাচন স্থগিত রেখেছে তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার। নোংরা রাজনীতির স্বার্থেই এই কাজ করছে তারা।”


২১ এর নির্বাচনে সুবিধা পেতে পুরভোট করাচ্ছে না শাসক দল, জাতীয় নির্বাচন কমিশনারের কাছে পাঠানো চিঠিতে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে এই ধরনের ঘটনা অনভিপ্রেত বলেই অভিযোগ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। এবিষয়ে অধীরবাবু লিখেছেন, ”গণতন্ত্রে মানুষের অংশগ্রহণ সবচেয়ে বেশি জরুরি। আর স্বশাসিত সরকারি সংস্থাগুলিতে নির্বাচনের সময় বেশি সংখ্যক সাধারণ নাগরিকদের উপস্থিতি এর ঐতিহ্য আরও বাড়ায়। কিন্তু, সেই রাস্তায় না হেঁটে দলের নেতাদের পুরসভার প্রশাসক হিসেবে বসিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে চাইছে। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন করার নামে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। এর জন্য নিজেদের অধিকারের বাইরে গিয়েই কাজ করছেন প্রশাসকরা। পশ্চিমবঙ্গ সরকার যাতে পুরসভা এলাকার নাগরিকদের এভাবে প্রভাবিত করার সুযোগ না পায় সেটা নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচন কমিশন -কে আবেদন করব।’
উল্লেখ্য, আজ বিকেলে রাজ্যের ইলেক্টোরাল অফিসার ও পুলিশের নোডাল অফিসারের সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশনের তারা। সূত্রের খবরে জানা গেছে, আজ দুপুরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা সহ কমিশনের বাকি শীর্ষ আধিকারিক গুয়াহাটি থেকে কলকাতায় পৌঁছচ্ছেন। জানা গিয়েছে, কমিশনের প্রতিনিধিদল বিমানবন্দর থেকে সরাসরি বৈঠকস্থলের দিকে উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন তারা। বৃহস্পতিবার সকালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা কমিশনের ফুল বেঞ্চের। মধ্যাহ্নভোজনের পর জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা কমিশনের আধিকারিকদের। শুক্রবার, রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক হওয়ার কথা। ওই বৈঠকে হাজির থাকার কথা রাজ্য পুলিশের ডিজি-রও।









