নজরবন্দি ব্যুরোঃ সন্ত্রাস করে টিকে থাকতে হচ্ছে! অপারেশন ধামাচাপা চলছে। খারাপ লাগছে, বাংলার মানুষ আপনাকে এতবার সমর্থন করেছে, দোয়া করেছে। কিন্তু আপনার মন জিততে পারেনি, বিবেক জিততে পারেনি। যদি পারত, তাহলে এই গ্রামে আসতে এত দেরি করলেন কেন? বাগটুইয়ে উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর।


বহরমপুরের সাংসদ বলেন, হেলিকপ্টারে এলেন, পিকনিক হল, খাওয়াদাওয়া হল, সরকারি টাকা থেকে দান করলেন, চলে গেলেন। গ্রামের মানুষের সঙ্গে বৈঠক করতে পারতেন। তাঁদের দুঃখ-যন্ত্রণার কথা জানতে পারতেন। নারকীয় হত্যা করা হয়েছে। বাংলায় এত অস্ত্র কীভাবে আসছে, আমরা বিচার চাই। এখানকার অফিসাররা দিদির মুখপাত্র।

বৃহস্পতিবার বাগটুইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। কিন্তু বাগটুইয়ের আগেই রওনা অধীরকে বাধা দেওয়া হয়। এরপরেই রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তিনি। এরপর দুপুর ৩ টে নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী বাগটুইয়ে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর সেখানে যেতে পারেন তিনি।


সন্ত্রাস করে টিকে থাকতে হচ্ছে! অপারেশন ধামাচাপা চলছে, কটাক্ষ কংগ্রেস সাংসদের

আজকে ঘরের মা বোনদের পুড়িয়ে মেরে দেওয়া হচ্ছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কী বাংলার রাণী? আমরা কী মুখ্যমন্ত্রীর ভৃত্য? আমিও জনপ্রতিনিধি। এটা ওনার বাবার জমিদারি? এর আগে সংসদে সরব হয়েছিলেন তিনি। রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবীতে চিঠি দেন রাষ্ট্রপতিকে। এখন বাগটুই যেতে সরব হলেন সরকারের বিরুদ্ধে।







