নজরবন্দি ব্যুরো: পুজোর মরশুমেই পুরীতে ঘটে গেল এক অঘটন। জগন্নাথ মন্দিরের গর্ভগৃহে রক্তপাত। মহালয়ার আগেই এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যার জেরে দীর্ঘক্ষণ দর্শনার্থীদের জন্য বিগ্রহ দর্শন বন্ধ রাখা হয়। খবর চাউর হতেই অনেকের মনেই আশঙ্কার মেঘ জমেছে। গর্ভগৃহে রক্তপাত কি কোনও অমঙ্গলের ইঙ্গিত? কিন্তু আসল ঘটনাটি কী?
আরও পড়ুন: সম্পূর্ণ শরীর পোশাকে ঢাকতে হবে, পুরীর মন্দিরে প্রবেশের জন্য নয়া নিয়মবিধি
মন্দির সূত্রে খবর, শুক্রবার দুপুরে মহাস্নানের পর মধ্যাহ্নধূপার রীতির সময়েই অঘটন ঘটে। জগন্নাথদেবকে বিশেষ ভোগে কেক দেওয়া হয়েছিল। গর্ভগৃহেরই এক কর্মী সেই সময়ে ভোগের বাক্স থেকে এক টুকরো কেক তুলে নেন। এই নিয়েই সেবায়েতের এক কর্মীর সঙ্গে বচসা বাধে। সেই বচসা থেকেই দুজনের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি এতটাই চরমে ওঠে যে একজন রক্তাক্ত হন। গর্ভগৃহের মধ্যেই রক্তপাত ঘটে। মেঝেতে দেখা যায় চাপ চাপ রক্ত।

এই ঘটনার পর বিগ্রহ দর্শন বন্ধ করে দেওয়া হয়। পুণ্যার্থীদের দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। গর্ভগৃহের মেঝে পরিষ্কার করে, বিশেষ রীতি মেনে গর্ভগৃহ শুদ্ধ করার পর ফের বিগ্রহ দর্শন শুরু করা হয়। অন্যদিকে, ন্দিরের সিংহদুয়ারের পুলিশ অভিযুক্ত দুজনকে পাকড়াও করে স্থানীয় থানায় নিয়ে যায়। যদিও এই ঘটনায় কোনও লিখিত অভিযোগ জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, মহালয়ার আগের দিন পুরীর জগন্নাথদেবের ‘মহাস্নান’ হয়। এরপর দুপুরে বিশেষ ভোগ ‘মধ্যাহ্নধূপা’র রীতি পালন করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই ওই দিনে দর্শনার্থীদের ভিড় মন্দিরে উপচে পড়ে। এমন দিনেই ঘটে যায় এই অঘটন।
পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের গর্ভগৃহে রক্তপাত, কোনও অমঙ্গলের ইঙ্গিত?




