নজরবন্দি ব্যুরোঃ আগামী বছর ত্রিপুরা এবং মেঘালয়ের নির্বাচন। তার প্রস্তুতি এখন থেকে শুরু করতে চায় তৃণমূল নেতৃত্ব। তার জন্য এখন থেকেই ত্রিপুরা-মেঘালয়ের প্রচারে জোর দিচ্ছে ঘাসফুল শিবির। তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ত্রিপুরা এবং মেঘালয়ের নির্বাচনে লড়াই করবে তৃণমূল।
আরও পড়ুনঃ পড়ুয়াদের হদিশ না মেলায় বিক্ষোভ অভিভাবকদের, সল্টলেক শিক্ষানিকেতনের ঘটনায় চাঞ্চল্য


বাংলায় বিজেপিকে আটকে দেওয়ার পর জাতীয় রাজনীতিতে পা বাড়িয়েছে তৃণমূল। ত্রিপুরা থেকেই শুভ সুচনা। পুরভোটে একটি আসন জয়লাভ করলেও পরে ওই তৃণমূল কাউন্সিলর বিজেপিতে যোগদান করে।

কিন্তু পুরভোটের পর ত্রিপুরাতে বিশেষ নজর দিতে চাইছে ঘাসফুল শিবির। ককবরক রাজ্যে আলাদা করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে লাগাতার আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছেন ত্রিপুরা তৃণমূলের আহ্বায়ক সুবল ভৌমিক।



একইসঙ্গে অসমের দায়িত্বে রয়েছে সুস্মিতা দেব। মেঘালয়ের দায়িত্বে রয়েছে মানস ভুঁইয়াকে। মাস কয়েক আগে কংগ্রেস থেকে আসা মুকুল সাংমা সামলাচ্ছেন মেঘালয়ে তৃণমূলের সংগঠন। সেখানে আদিবাসী এবং জনজাতিদের কথা সামনে রেখে লড়াইয়ে নামতে চায় জোড়া ফুল। তবে তিন রাজ্যেই বাংলাভাষীদের ভোট দখল করাই তৃণমূলের প্রধান লক্ষ্য।
ত্রিপুরা-মেঘালয়ের প্রচারে জোর, নির্বাচনের ব্লু প্রিন্ট আসছে কবে?

তবে চলতি বছরে গোয়ায় মাত্র ৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে তৃণমূল। মাত্র তিন মাসে সাংগঠনিক বিস্তার নিয়ে সমালোচনা হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কংগ্রেসের ভোট ভাগ করতে গিয়ে বিজেপিকে সুবিধা করে দিচ্ছে। একথা বলছেন বিরোধীরা।







