নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাংলায় ভোট আবহের মধ্যেই রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা তৈরি করেছে কয়লা কান্ড। মূল চক্রী পর্যন্ত পৌঁছতে একে একে উঠে এসেছে একাধিক তৃণমূল নেতা মন্ত্রীর নাম। বিজেপির একাধিক নেতা থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা বারবার কয়লা কাণ্ডে যোগ করেছেন খোদ অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের নাম। গত কয়েকমাস ধরে গরু এবং কয়লা পাচার কান্ডের মূল চক্রীকে ধরতে কোমর বেঁধে নেমেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রাজ্যের একাধিক জেলা তন্ন তন্ন করে তল্লাশি ছাল্লছেন তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ “স্ত্রীর থেকেও মূল্যবান নিজের সোনা” হলফনামায় জানালেন তৃণমূল প্রার্থী অরূপ রায়।


এসবের মধ্যেই আজ নিজাম প্যালেসে CBI এর মুখোমুখি হয়েছেন মূল চক্রী লালা ওরফে অনুপ মাঝি। আর এই সবের মধ্যেই গতকালই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি অডিও ক্লিপকে ভিত্তি করে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ ছিল, ‘কয়লা দুর্নীতির টাকা সরাসরি যেত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। সাংসদ হওয়ার পরই এই দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এই কেলেঙ্কারির ৯০০ কোটি টাকা গিয়েছে ভাইপোর কাছে।
১০ বছর ধরে সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর মদতে কয়লা দুর্নীতি হয়েছে। ৯০ থেকে ৯৫ জন পুলিশ আধিকারিক এর সঙ্গে জড়িত। বেশ কয়েকজন আইপিএস অফিসারও এর সঙ্গে জড়িত।’ আর আজ সেই মন্তব্যের বিরুদ্ধে পাল্টা তোপ দাগলেন অভিষেক। তিনি টুইট করে লেখেন, ‘কয়লা সংক্রান্ত সমস্ত সম্পত্তি সরাসরি কেন্দ্রের অধীনে থাকে। যদি বিজেপি মনে করে, বেআইনিভাবে কয়লা খনি থেকে টাকা পেয়েছে, তাহলে কেন্দ্র এর তদন্ত করছে না কেন? যারা কেন্দ্রীয় সম্পত্তি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাঁদের কেন শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না? আর বিজেপি যদি মনে করে, কয়লা মন্ত্রকের আধিকারিকরা মোদি-শাহ বা কয়লা মন্ত্রকের কথা না শুনে তৃণমূল নেতাদের কথা শুনেছে, তাহলে এর থেকে হাস্যকর হতে পারে না।’
প্রসঙ্গত গত কাল শুভেন্দু দাবি করেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোকে কেন্দ্র করে অনেকগুলি কথোপকথন সামনে এসেছে। সেগুলো সব আমরা সামনে আনব।’ সেই অডিও টেপও শুভেন্দু প্রকাশ্যে আনেন। আর এরপরই পালটা চাপের রাজনীতিতে হাঁটলেন অভিষেক।









