নজরবন্দি ব্যুরোঃ কয়লাকাণ্ডে একাধিকবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক এবং তাঁর স্ত্রী রুজিরাকে সমন পাঠিয়েছে ইডি। কলকাতায় এসে জিজ্ঞাসাবাদও করে গিয়েছে। তলব করা হয়েছে আত্মীয়দেরও। এবার ফের কয়লাকান্ড নিয়ে তৎপর ইডি একে একে সমন পাঠিয়েছিল অভিষেক রুজিরা সহ রাজ্যের তিন অফিসারকে।
আরও পড়ুনঃ তৃণমূলে ফিরে জনসেবার প্রহর গুনছেন, মমতাকে ‘খালা’, ‘বেগম’ কুটুক্তি সহ্য হচ্ছেনা রাজীবের।


করোনা কাল সহ একাধিক কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়েছিলেন অভিষেক জায়া, তবে ইডির সমন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে দিল্লি গিয়ে হাজিরা দিয়ে এসেছিলেন অভিষেক। টানা ৯ ঘন্টার জিজ্ঞাসাবাদের পর্ব কাটিয়ে বেরিয়ে বলেছিলেন, ‘‘আমি সব কথা বলেছি। লিখিত জবানবন্দী দিয়েছি। তবে আপনাদের মাধ্যমে বলতে চাই। যাঁদের ক্যামেরার সামনে টাকা নিতে দেখা গিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে এই এজেন্সিগুলি কিছু করেনি। কারণ তাঁরা একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত।”
সঙ্গে তিনি এও বলেছিলেন, “যারাই বিজেপি-র বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, তাঁদের চাপে রাখতে হবে, তাই এ সব করা হচ্ছে। আমি তদন্তকারী অফিসারদের অবস্থা বুঝি, ওঁদের কিছু করার নেই। ওদেরও চাপে থাকতে হয়। আমাদের ইচ্ছা করে আক্রমণ করা হচ্ছে।” তবে তদন্তকারী অফিসারদের বক্তব্য ছিল কয়লা কান্ডের সমস্ত উত্তর পাননি তাঁরা। সেই কারণেই তৃতীয় বারের জন্য তলব করা হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে।
কয়লা কান্ডে জোর ধাক্কা অভিষেকের, ইডি সমন স্থগিতাদেশের আর্জি খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে।

কিন্তু বারবার তলবের জেরে দিন কয়েক আগেই ইডির সমনে স্থগিতাদেশ চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ্তবে আদতে তাতে লাভ হলনা কোন। আজ দিল্লি হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়েছে ইডি-র সমনের বিরুদ্ধে আদালত আপাতত কোনও পদক্ষেপ করবে না। সঙ্গেই জানানো হয়েছে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী সোমবার। তার মধ্যে সব পক্ষকে হলফনামা জমা দিয়ে মামলার বিস্তারিত জানাতে হবে হাইকোর্টকে।


অভিষেকের হয়ে আজ দিল্লি কোর্টে লড়ছিলেন কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী কপিল সিব্বল। শুনানির পর আদালত সমনে স্থগিতাদেশ দেয়নি। উল্টে বলা হয়েছে সোমবারের মধ্যে নিজেদের অবস্থান নিয়ে কোর্টে বিস্তারিত ভাবে জানাতে হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, রুজিরা এবং ইডিকে। কেনো তাঁরা স্থগিতাদেশ চাইছেন তাও বিস্তারিত ভাবে জানাতে হবে অভিষেক-রুজিরাকে।







