নজরবন্দি ব্যুরো: সকাল থেকেই উত্তপ্ত ঠাকুরনগর! এদিন অভিষেকের ‘তৃণমূলে নবজোয়ার’ কর্মসূচী ঘিরেই সকাল থেকেই বিক্ষোভ দেখা দিচ্ছে বিক্ষোভ। আর সেই বিক্ষোভের মাঝেই রবিবার দুপুরে মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেখানে পৌঁছেই একের পর এক হুঁশিয়ারি দিলেন অভিষেক।
আরও পড়ুন: Dilip Ghosh: পুলিশের ক্ষমতা নেই গণ্ডগোল আটকানোর, পঞ্চায়েতের আগে ‘অশনি সংকেত’ দিলীপের মুখে


এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর ও বিজেপিকে আক্রমণ করে অভিষেক বলেন, “শান্তনু ঠাকুর যেখানে থাকেন সেখানেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জলের ব্যবস্থা করেছে। যে রাস্তা দিয়ে হেঁটে ওরা তৃণমূলকে ধমকাচ্ছে, চমকাচ্ছে, বিক্ষোভ করছে সেটাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা। কেউ যদি ভাবে গুরুচাঁদ ঠাকুর ও হরিচাঁদ ঠাকুরের আন্দোলনকে সরিয়ে দিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করব। তাঁকে বলব, এই ঠাকুরবাড়ি তাঁর পৈত্রিক সম্পত্তি নয়। মানুষের আবেগের, শ্রদ্ধার, প্রার্থনার জায়গা এই ঠাকুরবাড়ি। আমরা চাইলে ভেঙে দিয়ে ঢুকে যেতে পারব। কিন্তু আমরা ভেঙে, গুঁড়িয়ে দেওয়ার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না।”

অভিষেক আরও বললেন, “আমি এখানে রাজনীতি করতে আসিনি। আজ আমি এসেছি পুজো দিতে। এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানকে দিয়ে মহিলাদের উপর আক্রমণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই চার জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আমার সঙ্গে লড়াই করতে পারছে না বলে, মহিলাদের ওপর আক্রমণ করছে। আমি শান্তনু ঠাকুরকে চ্যালেঞ্জ করছি, এখানে এসে বলুন কোন রাস্তা, কোন কল বাকি রয়েছে। আমি নিজের করে দেব। উনি বলেছেন, আমি চলে যাওয়ার পর ঠাকুরবাড়ি গোবর জল দিয়ে ধোব। আমি তিন মাস অন্তর আসব। তুমি পরিষ্কার করো। আমি আবার আসব। তোমার দম থাকলে আটকিও।”



উল্লেখ্য, রবিবার সকাল থেকেই শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বে ঠাকুরবাড়িতে বিক্ষোভ চলছে। বিজেপি সাংসদের কথায়, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একজন সাধারণ সাংসদ। তাঁর আগমনের জন্য যে প্রস্তুতি হচ্ছে তা প্রধানমন্ত্রী আসার সময়েও হয় না।” এদিকে তৃণমূলের অভিযোগ, মতুয়া ভক্তরা কালো পতাকা নিয়ে মন্দিরের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল। মন্দিরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তৃণমূল সমর্থকদের বাধা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। এই বিক্ষোভের মধ্যেই ঠাকুরবাড়িতে যান অভিষেক। সেখানেই প্রকাশ্যে শান্তনু ঠাকুরকে নিশানা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
উত্তপ্ত ঠাকুরনগর, বিক্ষোভের মাঝেই ঠাকুরবাড়িতে পৌঁছালেন অভিষেক








