নজরবন্দি ব্যুরো: বাংলায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ৯ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত মনোনয়ন পেশ করার সময়সীমা জারি করা হয়েছে। এত কম সময় এতগুলি কেন্দ্রে কীভাবে মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে? এনিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই রাজ্যে বড় ধরনের অশান্তির সৃষ্টি হবে। এমনই আশঙ্কার দাবি করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
আরও পড়ুন: পঞ্চায়েতের আগে মুর্শিদাবাদে তৃণমূলে ধস, শক্তি বাড়ল হাত শিবিরের


রবিবার সকালে ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে আসেন দিলীপ ঘোষ। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “এখনও পর্যন্ত মনোনয়ন পত্র জমা পুরোদমে শুরু হয়নি। যেটুকু হয়েছে বিজেপি করেছে। অর্ধেকের বেশি আসনে। কিন্তু সোমবার থেকে ব্যাপক গণ্ডগোল হবে। পুলিশের ক্ষমতা নেই আটকানোর। চটি পড়া লাঠি হাতে সিভিকরা আটকাতে পারবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইছেন ব্যাপক গণ্ডগোল হোক, সেই ফাঁকে তাঁরা জিতে যাবেন।”

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করার পরপরই মনোনয়ন পেশ করার হিড়িক পড়ে যায়। এখনও পর্যন্ত মুর্শিদাবাদ, কাটোয়া, আসানসোল সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় অশান্তির ছবি ধরা পড়েছে। ডোমকলে তৃণমূল নেতার কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এনিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি শাসক দলকে নিশানায় এনে বলেন, “ডোমকল সীমানা এলাকা। কয়েক বছর আগে পুরনির্বাচনের প্রচার হল। কিন্তু কাউকে ভোট করতে দেওয়া হল না। ওখানে আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। গায়ের জোর চলে।”



আগামী ৮ জুলাই রাজ্যে বহু প্রতীক্ষিত পঞ্চায়েত নির্বাচন। এক দফায় ভোটপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। ৯ জুন থেকে ১৫ জুনের মধ্যে মনোনয়ন পেশ করতে হবে। এনিয়েই বিরোধীরা আপত্তি জানিয়েছে। জল গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। মনোনয়নের সময়সীমা বাড়ানো এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে কলকাতা হাইকোর্টের মামলা দায়ের করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।
পুলিশের ক্ষমতা নেই গণ্ডগোল আটকানোর, কী বললেন দিলীপ ঘোষ








