নজরবন্দি ব্যুরো: একসময় তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২০ সালের শেষদিকে বিজেপিতে যোগদান করেন তিনি। এরপর প্রাক্তন দল এবং দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন শুভেন্দু। পাল্টা জবাব দিতে ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী এবং তৃণমূলের অন্যান্য সদস্যরা। কিন্তু এই শুভেন্দু অধিকারীকেই তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য লক্ষ্মী বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।


সংসদের অধিবেশনে যোগ দিতে দিল্লি গিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সাংসদদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন তিনি। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে বুধবার থেকেই রাজধানীতে ধর্নায় বসার কথা বলেন তিনি। জানা গিয়েছে, দিল্লিতেই এক সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলার পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে কথা বলার সময় শুভেন্দু অধিকারীর প্রসঙ্গ নিয়ে আসেন তিনি। বিজেপি নেতাকে তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য লক্ষ্মী বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যতদিন বাংলাকে শুভেন্দু অধিকারীর নজর দিয়ে দেখবে ততদিন লাভবান হবে তৃণমূল।”

শুভেন্দুর জন্যই লাভবান তৃণমূল, তৃণমূল সাংসদের বিস্ফোরক মন্তব্য

পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সবাইকে প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।” শান্তিপূর্ণ পঞ্চায়েত নির্বাচন করতে সব পক্ষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। ডায়মন্ড হারবার সাংসদের কথায়, পঞ্চায়েত নির্বাচনে দুর্নীতিগ্রস্ত নেতা কর্মীদের টিকিট দেওয়া হবে না। জেলা থেকে নির্দিষ্ট তথ্য যাচাই করে তবেই প্রার্থী বাছাই করা হবে। অন্যদিকে, তৃণমূলের যুবরাজ আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, দলের শীর্ষ স্তর থেকেই নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত করা হবে। নিচু তলার সুপারিশ এলেও অনুমোদন দেওয়া হবে না। এমনকি বিনা যোগ্যতায় তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের ধরে টিকিট পাওয়া যাবে না বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও পঞ্চায়েত নিয়ে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আসন্ন ভোটে নির্দল প্রার্থী না হওয়ার বার্তা দিয়েছেন দলের কর্মীদের।। তৃণমূল নেত্রীর এই বার্তাকে কটাক্ষ করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। বলেছেন, “আসলে উনি বলতে চেয়েছেন লুঠ করার জন্য প্রস্তুত হও।”









