প্রথম দফার ভোটের আগে মালদা ও মুর্শিদাবাদকে ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক লড়াই, আর সেই আবহেই দলের নেতাদের স্পষ্ট বার্তা দিলেন Abhishek Banerjee। ভার্চুয়াল বৈঠকে তিনি সরাসরি নির্দেশ দেন—মাঠে নেমে মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে, বোঝাতে হবে ভোটের গুরুত্ব এবং বিরোধীদের ভূমিকা।
২৩ এপ্রিলের ভোটকে সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন Abhishek Banerjee। সেখানে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় Malda ও Murshidabad জেলাকে—যেখানে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক ও বহুমুখী রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে।


এই দুই জেলার নেতাদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা ছিল সরাসরি—কংগ্রেসকে ভোট দেওয়া মানে বিজেপির শক্তি বাড়ানো। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কংগ্রেস কি আদৌ কোথাও বিজেপিকে রুখতে পেরেছে? এমনকি সতর্ক করে বলেন, জিতে গেলে কংগ্রেস নেতারা দলবদল করলে কী হবে, সেটাও মানুষকে বোঝাতে হবে।
রাজনৈতিক সমীকরণ এই দুই জেলায় জটিল। Adhir Ranjan Chowdhury-র সক্রিয়তা, মৌসম নূরের কংগ্রেসে প্রত্যাবর্তন—সব মিলিয়ে কংগ্রেস নতুন করে জমি শক্ত করার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি অন্যান্য শক্তির উপস্থিতিও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের সংগঠনকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেন অভিষেক।
তিনি দলের নেতাদের বলেন, আগামী সাত দিন গ্রামে গ্রামে গিয়ে ছোট বৈঠক করতে হবে, সরকারি প্রকল্পগুলির সুবিধা তুলে ধরতে হবে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট—“মানুষকে বোঝান, কার জয়ে তারা লাভবান হবেন, আর কার জয়ে ক্ষতি।”


বিজেপিকেও তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। অভিযোগ তোলেন, ভয় দেখাতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ব্যবহার করা হচ্ছে। একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কিছু পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং প্রয়োজনে আইনি পথে যাওয়ার ইঙ্গিত দেন।
তবে শুধু বিরোধীদের আক্রমণ নয়, নিজের দলের নেতাদের প্রতিও কড়া বার্তা দেন Abhishek Banerjee। স্পষ্ট করে জানান, আগামী ১৫ দিনের কাজের উপর নির্ভর করবে তাঁদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ। ভালো ফল করলে পুরস্কার, খারাপ ফল হলে টিকিট নিয়েও অনিশ্চয়তা—এমনই কড়া সতর্কতা শোনান তিনি।
সব মিলিয়ে, ভোটের আগে মালদা ও মুর্শিদাবাদে সংগঠনকে চাঙা করতে এবং ভোটের অঙ্ক নিজেদের দিকে টানতে মরিয়া তৃণমূল নেতৃত্ব—যার কেন্দ্রে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।








