নজরবন্দি ব্যুরোঃ ‘ল্যাজ ছাড়া হুনু!’, বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর বেনজির আক্রমনের মুখে বিজেপি। বিধানসভা আজ উত্তপ্ত হয়ে উঠলো খোদ মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণে। কিছুদিন আগের রাজ্যপালের ভাষণ ঘিরে ঘটা বিশৃঙ্খলা নিয়ে বলতে গিয়ে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির উপর তীব্র আক্রমন শানালেন তিনি। তাঁর বেনজির আক্রমনে কার্যত বাক্রুদ্ধ বিজেপি বিধায়ক নেতারা। প্রসঙ্গত আজ মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের ঠিক আগেই বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করেন বিজেপি বিধায়কেরা।
আরও পড়ুনঃ আশঙ্কা সত্যি করে ইংল্যান্ড সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন গিল! রোহিতের পাটনার কে?
মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণের সময় অধিবেশন কক্ষে মুকুল রায় ও বিশ্বজিত্ দাসের মতো হাতেগোনা কয়েকজন বিধায়ক ছাড়া আর কেউ ছিল না। তাই নিজের ভাষণের সময় অ্যাডভান্তেজ পেয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। সরাসরি বিজেপির দিকে আক্রমন শানিয়ে বলেন “ল্যাজ ছাড়া হনুরা মেদিনীপুরের মানুষের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে।” এরপরেই তিনি বলেন “ফল দেখে বোঝা যাচ্ছে কী ফল ধরেছে। বিষবৃক্ষ। মেদিনীপুরে ঘরে ঘরে অত্যাচার করেছে। অনেক বিজেপি নেতা-নেত্রীকে চিনতাম। কিন্তু এই বিজেপি ল্যাজ ছাড়া হনু। রাজ্যপালকে ভাষন পড়তে দিল না। মানুষের কথা বলতে না দিয়ে আমি কত বড় বলতে এসেছে। পুরো সংবাদমাধ্যম নির্ভর একটা দল। বিজেপি মিথ্যার বেসাতি। বোটের আগে এসপি বদলেছে. আইসি বদলেছে। যা মোদী বলেছে তাই হয়েছে। উপযুক্ত অফিসারদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
তিনটে মাস অফিসারদের হুমকি দিয়ে রাখা হয়েছিল। নন্দীগ্রামে ভোটারের থেকেও বেশি ভোট পড়েছে। বিজেপি ৩০টার বেশি আসন পেত না আমি নিশ্চিত। কিন্তু মনে রাখবেন বাংলার মেরুদণ্ড ভাঙা যাবে না। শুধু মিথ্যে কথা বলা হচ্ছে। আর এটাও শুনে রাখুন, এবার থেকে খেলা হবে দিবস পালন করবে রাজ্য সরকার।” মমতা একের পর এক আক্রমন শানালেও বিজেপির তরফ থেকে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কেউ ছিল না। ফলে কার্যত এই আক্রমন হজম করতে হল প্রধান বিরোধী দলকে। এদিকে আজ টুইট করে মুখ্যমন্ত্রী জানালেন ২১ শে জুলাই শহিদ দিবসের কর্মসূচীর কথা। করোনার কারণে এবারও শহিদ দিবস পালন হবে ভারচুয়ালি।
‘ল্যাজ ছাড়া হুনু!’, বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর বেনজির আক্রমনের মুখে বিজেপি। ট্যুইটারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লিখেছেন, “বাংলার মানুষের আশীর্বাদে তৃতীয় বারের জন্য সরকার গড়েছি আমরা। আমি আমার ভাই বোনেদের জন্য শহীদ দিবসে বক্তব্য রাখব ওই দিন দুপুর দুটো নাগাদ। তবে প্রকাশ্য সমাবেশ নয়, বক্তব্য রাখা হবে ভার্চুয়ালি। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”



