ভোটের দিনেই নন্দীগ্রামে ফের রাজনৈতিক চাপানউতোর চরমে। শাসকদলের দাবি, অন্তত ৫৫টি বুথে বিজেপি তাদের পোলিং এজেন্টই দিতে পারেনি। যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে পাল্টা দাবি করেছে বিজেপি শিবির।
তৃণমূলের স্থানীয় নেতা শেখ সুফিয়ান বলেন, বহু বুথে বিজেপির কোনও এজেন্ট নেই, যা তাদের সংগঠনের দুর্বলতাকেই সামনে আনছে। তবে এই দাবি সরাসরি খারিজ করে বিজেপির পক্ষ থেকে Shuvendu Adhikari-র ঘনিষ্ঠ মহল জানায়, “এ সবই মিথ্যা প্রচার।” তমলুক সাংগঠনিক জেলার বিজেপি নেতা মেঘানাদ পাল প্রশ্ন তোলেন, “কোন বুথে এজেন্ট নেই, তা স্পষ্ট করে জানাক তৃণমূল।”
এদিকে শুধুই এজেন্ট বিতর্ক নয়, পুলিশি ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, নন্দীগ্রামে কয়েকজন পুলিশকর্মী পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছেন। এই অভিযোগে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে শাসকদল। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক Manoj Kumar Agarwal-এর সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলের নেতা Shashi Panja বলেন, পক্ষপাতের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্মীদের দায়িত্বে রাখা হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
অন্যদিকে, সকালে ভোট দেওয়ার পর বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য সামগ্রিকভাবে ভোট প্রক্রিয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে পিংলার ওসি চিন্ময় প্রামাণিকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে তাঁর সাসপেনশনের দাবিও জানান।
সব মিলিয়ে নন্দীগ্রামে ভোট চলাকালীন এজেন্ট-সংকট ও পুলিশি ভূমিকা নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি সংঘাত নতুন মাত্রা পেল।



