বাংলাদেশ জুড়ে নামলো অশান্তির ছায়া। সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে ছাত্র আন্দোলন ঘিরে সোমবার ও মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন এলাকায় রণক্ষেত্রের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের জেরে মঙ্গলবার ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুরে ছয়জন ছাত্র নিহত হয়েছেন। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ স্কুল, কলেজ ও সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে।
প্রসঙ্গত সোমবার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীদের একাংশ। এরপরেই ক্যাম্পাসের মধ্যেই আন্দোলনরত ওই ছাত্রছাত্রীদের উপর হামলা চালায় ছাত্রলিগের সদস্যরা। এদিন দুপুরে, ওই ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্স ল্যাবের সামনে বিক্ষোভ মিছিল বের করেছিলেন কোটা আন্দোলনে সামিল শিক্ষার্থীরা। কিন্তু, দুপুর দুটো নাগাদ, ফের সেই মিছিলেও হামলা চালায় ছাত্রলিগের সদস্যরা। এরপরই এলাকায় দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। অভিযোগ আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে চালানো হয় গুলিও ।

তবে ঢাকার পাশাপাশি, চট্টগ্রামের মুরাদপুরেও কোটা আন্দোলনে সামিল শিক্ষার্থীদের উপর হামলা হয়। এবং একইভাবে ওই আন্দোলন কারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে ছাত্রলিগের সদস্যদের। গোটা দেশ জুড়ে এই সংঘর্ষের ঘটনায় পাঁচ জনের মৃত্যুও হয়েছে বলে খবর। এরপরেই আন্দোলনের ঝাঁঝ আরও তীব্র হয়। শুধু তাই নয় আন্দোলনে প্ল্যাকার্ড হাতে নামে নবম শ্রেণীর পড়ুয়ারাও।
অশান্ত বাংলাদেশ, পুলিশের গুলিতে মৃত ৬, বন্ধ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

এরপরেই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা দফতরের অধীনস্থ সকল উচ্চ বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা এবং পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র।



