অধীর চৌধুরী। বহরমপুরের রবিনহুড। এখানে অধীর চৌধুরী এবার লোকসভা নির্বাচনে বহিরাগত ইউসুফ পাঠানের কাছে হেরে গিয়েছেন। কিন্তু হেরেও যেন হার না মানার মনোভাব রয়েছে তার মধ্যে। সম্প্রতি দিল্লি গিয়ে কথা বলে এসেছেন কংগ্রেস সভাপতির সাথে। তারপর থেকেই বহরমপুরেই রয়েছেন অধীর।
আরও পড়ুন: স্পিকার পদ না পেলে সমর্থনের সিদ্ধান্ত বদল? চন্দ্রবাবুর শপথে অনড় ঐক্যের সাথে সমঝোতার ছবি!

সিপিএমের সঙ্গে জোট করে ৪২ আসনের মধ্যে কংগ্রেস পেয়েছেন মাত্র একটি আসন। তিনিও সত্তর হাজারের বেশি ভোটে তৃণমূলের কাছে হেরেছেন। কিন্তু বহরমপুরে তার উপস্থিতি বারবার জানান দিচ্ছেন এই কংগ্রেস নেতা। ঠিক আগেকার মেজাজই দেখা যাচ্ছে অধীরকে। এখনো অবশ্য তিনি রাজ্য সভাপতি আছেন। আগামী দিনে তা পরিবর্তন হবে।
অধীর গড়ে ভোটে হেরে তার উপস্থিতি জেলা রাজনীতিতে একটা অন্য মাত্রা দিয়েছে। অধীর বাবুর হার প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক মনোজ চক্রবর্তী বলেন, ‘আমরা ইন্দিরা গান্ধী মমতা ব্যানার্জি কে হাঁটতে দেখেছি। এখানে অধীর চৌধুরী ভেবেছেন। সেটাও আমরা মেনে নিয়েছি। জয় পরাজয় রাজনীতির অঙ্গ। কিন্তু তৃণমূলের এটা নিয়ে মাথাব্যথার কারণ কি ঠিক বুঝতে পারলাম না। অধীর সব সময় মানুষের কথা বলেন।
হেরেও যেন হার না মানার মনোভাব, নিজের গড় বহরমপুরে ফের সক্রিয় অধীর

তিনি যখন সাংসদ ছিলেন তখনও মানুষের জন্য কাজ করেছেন। তেমনি এখনো মানুষের কথা বলছেন। এটাই তো রাজনীতির কাজ’। তবে ভোটে হারার পর জেলা রাজনীতিতে অধীরের যে কার্যকলাপ তা কিন্তু আগামী দিনে কংগ্রেস কর্মীদের উজ্জীবিত করবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।



