আরাবুলের গ্রেফতারির পরেই অশান্ত ভাঙড়, TMC-ISF সংঘর্ষ থামল পুলিশের লাঠিচার্জে!

২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন অর্থাৎ ১৫ জুন, খুন হন আইএসএফ (ISF) কর্মী মহিউদ্দিন মোল্লা। এই ঘটনার আট মাস পর কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেন আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam)।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

পঞ্চায়েত নির্বাচনে এক আইএসএফ কর্মীকে খুনের অভিযোগে বৃহস্পতিবার ভাঙড় (Bhangar) ডিভিশনের উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের দাপুটে নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam)। আর আরাবুল গ্রেফতারের পরের দিনই নতুন করে অশান্ত ভাঙড়। পতাকা লাগানো নিয়ে সংঘর্ষ তৃণমূল (TMC) ও আইএসএফ (ISF) কর্মীদের মধ্যে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ পর্যন্ত করতে হল পুলিশকে।

আরও পড়ুন: ‘সংসদে আমার শেষ দিন’, রাজনীতি ছাড়ার জল্পনা উস্কে দিয়ে অভিষেকের মুখোমুখি দেব!

জানা যাচ্ছে, শুক্রবার সকালে ভাঙড়ের (Bhangar) চালতাবেড়িয়া অঞ্চলের কোচপুকুরে পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে বচসা শুরু হয় তৃণমূল (TMC) ও আইএসএফ (ISF) কর্মীদের মধ্যে। যেখানে পতাকা লাগাতে যাচ্ছিলেন তৃণমূল কর্মীরা, সেখানে আগে থেকেই আইএসএফের পতাকা ছিল এবং সেই পতাকা ছিঁড়ে ঘাসফুল পতাকা লাগানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। এরপরই মারামারি শুরু হয় দু’পক্ষের মধ্যে।

আরাবুলের গ্রেফতারির পরেই অশান্ত ভাঙড়, TMC-ISF সংঘর্ষ থামল পুলিশের লাঠিচার্জে!
আরাবুলের গ্রেফতারির পরেই অশান্ত ভাঙড়, TMC-ISF সংঘর্ষ থামল পুলিশের লাঠিচার্জে!

এছাড়া ভাঙড়ের পোলেরহাট হাই স্কুলের পাশের আবর্জনার স্তূপ থেকে তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। যদিও পতাকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা অস্বীকার করেছেন তৃণমূল (TMC) কর্মীরা। তাঁদের বক্তব্য, আইএসএফের (ISF) পতাকা মাটিতে আগে থেকেই পড়ে ছিল। এই মুহূর্তে ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলেছে র‍্যাফ। মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর সংখ্যক পুলিশ।

আরাবুলের গ্রেফতারির পরেই অশান্ত ভাঙড়, TMC-ISF সংঘর্ষ থামল পুলিশের লাঠিচার্জে!

আরাবুলের গ্রেফতারির পরেই অশান্ত ভাঙড়, TMC-ISF সংঘর্ষ থামল পুলিশের লাঠিচার্জে!

২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন অর্থাৎ ১৫ জুন, খুন হন আইএসএফ (ISF) কর্মী মহিউদ্দিন মোল্লা। এই ঘটনার আট মাস পর কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেন আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam)। সেই সময় মহিউদ্দিন মোল্লা খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাঙড়। সেখানের বর্তমান বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী বারংবার সরব হয়েছেন এই খুনের বিরুদ্ধে। আরাবুল ইসলামের (Arabul Islam) বিরুদ্ধেই সরাসরি অভিযোগ ছিল তাঁর।

আরাবুলের গ্রেফতারির পরেই অশান্ত ভাঙড়, TMC-ISF সংঘর্ষ থামল পুলিশের লাঠিচার্জে!

খুনের পাশাপাশি একটি নির্মাণ সংস্থার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের তোলাবাজির অভিযোগও ছিল আরাবুল ইসলামের (Arabul Islam) বিরুদ্ধে। কিন্তু, এক্ষেত্রে তাঁকে খুনের অভিযোগেই গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। আরাবুল ইসলাম ভাঙড়ের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা। যদিও তাঁকে হারিয়ে বিধায়ক হয়েছেন আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকী। এরপর থেকেই দুই দলের কোন্দল উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়। পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক ঝামেলা হয় ভাঙড়ে। আইএসএফের পাশাপাশি তৃণমূলেরও দুই নেতা খুন হন।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন