নজরবন্দি ব্যুরো: রেশন দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। ইতিমধ্যেই একজন হেভিওয়েট মন্ত্রীর গ্রেফতারিতে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপি। এবার রেশন দুর্নীতিতে তৃণমূলের বিধায়ক শওকত মোল্লার নাম জড়িত থাকার সন্দেহ প্রকাশ করেছেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। এর পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তৃণমূল বিধায়ক।
আরও পড়ুন: সপ্তাহান্তে যাত্রীদের ভোগান্তির আশঙ্কা, শিয়ালদহ শাখায় বাতিল একগুচ্ছ ট্রেন
ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি বলেন, “রেশন দুর্নীতির সঙ্গে শওকত মোল্লা বা তাঁর পরিবারের যে কেউ হয়ত জড়িয়ে থাকতে পারে। এগুলি যদি তদন্ত করা হয়, তাহলে হয়ত আগামী দিনে শওকত মোল্লার নামও আসতে পারে।” তাঁর দাবি, তাঁদের হাতে বেশ কিছু তথ্য এসেছে এবং প্রয়োজনে সেগুলি তাঁরা ইডিকে স্পিদ পোস্ট করবেন। আইএসএফ বিধায়কের এই মন্তব্যের পরই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এরপরই পাল্টা জবাব দিতেও পিছু পা হননি তৃণমূল বিধায়ক।

নওশাদের অভিযোগে অধিক গুরুত্ব দিতে নারাজ শওকত মোল্লা। তাঁর পাল্টা বক্তব্য, নওশাদ রাজনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ার কারণেই এইসব ‘প্রলাপ বকছেন’। তাঁর প্রশ্ন, “আমি কি কোনওসময় বাংলার খাদ্যমন্ত্রী ছিলাম নাকি খাদ্য দফতরে ছিলাম? আমি বা আমার পরিবার কীভাবে রেশন কেলেঙ্কারিতে যুক্ত হবে?” আইএসএফ বিধায়ককে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে তৃণমূল বিধায়ক বলেন, “যদি হিম্মত থাকে, প্রমাণ করুন নওশাদ। শুধু রেশন কেন, যে কোনও দুর্নীতিতে যদি আমার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে পারেন, রাজনীতি থেকে তো বিদায় নেবই, মানুষের কাছে মাথা ন্যাড়া হয়ে দাঁড়াব।”

শুক্রবার এই ইস্যুতে ফের একবার মুখ খোলেন ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা। তিনি বলেন, “দুর্নীতির এতটুকু প্রমাণ করতে পারলে, নাকখত দিয়ে রাজনীতি ছেড়ে চলে যাব। নাহলে, উনি নাকখত দিয়ে বাংলার মানুষের থেকে ক্ষমা চান। উনি আসলে বর্তমানে একজন অস্তিত্ববিহীন নেতা।”
রেশন দুর্নীতিতে শওকত মোল্লাকে টেনে বিস্ফোরক নওশাদ, পাল্টা চ্যালেঞ্জ তৃণমূল বিধায়কের




