নজরবন্দি ব্যুরোঃ মমতার সভা কে ‘হায়দ্রাবাদি দলের সমাগম’ বলা শুভেন্দুর সভায় জমলো না ভিড়। দীর্ঘ ৫ বছর পর আজ নন্দীগ্রামে গিয়েছেন তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।যা কিনা গত কয়েকবছর ধরেই শুভেন্দুর জায়গা বলে পরিছিত। এখন দলত্যাগ করে শুভেন্দু বিজেপিতে। আর তাঁর জায়গায় মমতার সভার পাল্টা মিছিল করতে শুভেন্দু এসেছেন মমতার খাসতালুক দক্ষিণ কলকাতাতেই দক্ষিণ কলকাতা শুধু মমতার খাসতালুকই নয়, তৃণমূলের দাপট ও দক্ষিনে অব্যাহত বহু বছর ধরে। আর সেই জায়গাতেই আজ সভা করলেন বিজেপি নেতৃত্ব।
আরও পড়ুনঃ একই দিনে একাধিক জেলা জুড়ে বাংলা দেখছে মিছিল-পাল্টা মিছিলের রাজনীতি।
টালিগঞ্জ থেকে রাসবিহারি পর্যন্ত রোড শো করে মিছিল পৌঁছয় রাসবিহারি সভা মঞ্চে। মঞ্চ থেকে বক্তব্যে প্রতিটি কথায় তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু। ‘আম্ফানের চালচোর’ থেকে ‘লকডাউনের টাকা চোর’ বলে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন তিনি। তবে শুধু তৃণমূল দলকেই নয় সভা মঞ্চ থেকে বারবার ব্যক্তিগত ভাবে আক্রমন করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
৫ বছর পর মমতার নন্দীগ্রামে যাওয়াকে কটাক্ষ করেছেন তিনি। তিনি বলেছেন গতবার নন্দীগ্রামে গিয়ে শুভেন্দুকে প্রার্থী ঘোষণা করেছিলেন মমতা, আর এবার নিজের ৭ বারের জেতা আসন থেকে হেরে যাওয়ার ভয়ে নন্দীগ্রামে ৫ বছর পর গিয়ে নিজেকেই প্রার্থী ঘোষণা করলেন মমতা। মমতার গড়ে দাঁড়িয়েই শুভেন্দু হুঙ্কার দিয়েছেন কলকাতার ১০ টি আসনেই জিতবে বিজেপি, শুধু তাই নয় নন্দীগ্রামের আসন থেকে হাফ লাখ ভোটে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাবেন নইলে রাজনীতি ছেড়ে দেবেন বলে জানান।
মমতার সভা কে ‘হায়দ্রাবাদি দলের সমাগম’ বলা শুভেন্দুর সভায় জমলো না ভিড়। যদিও প্রাশসনের অনুমতি নিয়ে যে বিশাল বর্ণাঢ্য জনসভার আয়োজন করেছিল বিজেপি, তাঁর আশানুরূপ জনসমাগম হয়নি বলেই জানা যাচ্ছে। নন্দীগ্রামে মমতার জনসভায় উপস্থিত জনসমাগম কে বাইরে থেকে আসা এবং হায়দ্রাবাদি দলের লোকজন বলে তির্যক মন্তব্য করেছিলেন শুভেন্দু। তাহলে এতদিনের পরিকল্পনার পাল্টা মিছিলে তাঁর সভায় সেরুপ জনসমাগম হল কই? ওয়াকিবহাল মহল তুলছে প্রশ্ন।



