নজরবন্দি ব্যুরোঃ সোমবার সর্বভারতীয় দলের তকমা হারিয়ে তৃণমূল। সর্বভারতীয় তকমা হারাতেই বড় ধাক্কা তৃণমূলে, মঙ্গলবার সকালেই রাজ্যসভার পদ থেকে ইস্তফা দিলেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুজিনহো ফেলেরিও। এদিন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়ের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিলেন তিনি। সর্বভারতীয় দলের তকমা হারানোর পর এটা তৃণমূলের জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
আরও পড়ুনঃ SSC-TET Scam: ইডি দফতরে পৌঁছলেন রত্না, নিয়োগ দুর্নীতিতে চাঞ্চল্যকর মোড়
উল্লেখ্য, ২১ এর নির্বাচনে বাংলায় বিজেপিকে পরাজিত করে গোয়ার দিকে পা বারিয়েছিল তৃণমূল। সেই সময় যে সমস্ত প্রথম সারীর নেতারা তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুজিনহো ফেলেরিও ছিলেন অন্যতম। তবে বিধানসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেননি। পরে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভার টিকিটে জয়লাভ করে সংসদে পৌঁছন।

গত কয়েক মাসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। গোয়ার রাজনীতিতেও সেভাবে দাগ কাটতে পারেনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা। এমনকি মেঘালয় ও ত্রিপুরাতেও তাঁদের ফলাফল মোটেই ভালো ছিল না। যার ফলের সোমবার নির্বাচন কমিশনের তরফে ঘোষণা করা হয় তৃণমূল সহ সিপিআই এবং এনসিপি সর্বভারতীয় দলের তকমা হারাল। অন্যদিকে, সর্বভারতীয় দলের তকমা পেল আপ।
সর্বভারতীয় তকমা হারাতেই বড় ধাক্কা তৃণমূলে, রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

সর্বভারতীয় দলের তকমা হারাতেই দিল্লিতে তৃণমূলের আর কোনও অফিস থাকবে না। আগে বাংলা থেকে তৃণমূল নেতারা গেলে ৪০ জনের খরচ দলের হত। কিন্তু এখন আর সেটা থাকবে না। ২০ জনের বেশি কেউ প্রচার করতে গেলে তাঁর যাতায়াত-সহ অন্যান্য খরচ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী নির্বাচনী খরচের সঙ্গে যুক্ত হবে। জাতীয় দলের ভোট প্রচারের জন্য সরকারি টিভি ও রেডিয়োতে বিনা খরচে সময় দেওয়া হয় নির্বাচনের সময়। সেই সুবিধাও হারাতে হবে তৃণমূলকে।



