নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভারতবর্ষের ইতিহাসে সম্ভবত শিক্ষা ক্ষেত্রে এত বড় দুর্নীতি আগে কখনও হয়নি। তৃণমূল জমানায় সব কটি নিয়োগের ক্ষেত্রেই আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরেছে দুর্নীতির নাগপাশ। সে গ্রুপ ডি হোক বা গ্রুপ সি অথবা শিক্ষক নিয়োগ। সব ক্ষেত্রেই কোটি কোটি টাকার খেলা হয়েছে। বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থাকে তলানিতে নামিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের প্রভাবশালীরা। যার মধ্যে অন্যতম নাম পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ লকেটের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা তৃণমূল বিধায়কের, কী বললেন বিজেপি সাংসদ

পশ্চিমবঙ্গের প্রায় পুরো শিক্ষা দফতরটাই জেলে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলের হয়ে সাফাই দিলেন আর এক দাপুটে তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সব থেকে ঘনিষ্ঠ ভাবে যে নেতাদের দেখা যেত, তাঁদের মধ্যে অন্যতম পার্থ চট্টোপাধ্যায় এখন জেলে। আর অন্য এক ঘনিষ্ঠ ববি হাকিম সাফাই দিচ্ছেন দলের হয়ে। ববির কথা অনুযায়ী, শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতি দলের সবার কাছেই লজ্জার, পার্থ এমন করতে পারেন ভাবতেই পারেননি তারা।

রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম পার্থ এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতি প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘টাকার বিনিময়ে চাকরি, আমাদের সবার কাছে লজ্জার। এই পার্থদাকে আমি চিনতাম না, এই পার্থদা আমার কাছে নতুন। স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি কেউ টাকা নিয়ে চাকরি দেবে। কারও অধিকার হরণ করে চাকরি দেওয়া অন্যায়, পাপ।’
মমতা সততার প্রতীক, পার্থ চোর। টাকার বিনিময়ে চাকরি, লজ্জা! বুঝিয়ে দিলেন ববি!

দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে এইসবের মধ্যে কোনওভাবেই জড়িত নন, সেই কথাও স্পষ্ট করে দেন ফিরহাদ। বললেন, ‘সততার প্রতীক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চাঁদে কলঙ্ক থাকতে পারে, কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও দাগ নেই। কাউকে বিশ্বাস করাটা ভুল নয়, কাউকে বিশ্বাস করাটা অন্যায় নয়। তিনি বিশ্বাস করেছিলেন, ঠকেছিলেন, ভরসা করেছিলেন। এত বড় অর্গানাইজেশন বিশ্বাস ছাড়া চলে না। আমরা আজীবন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছি, থাকব। তিনি অন্যায় করতে পারেন না।’



