নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভারতকে দিয়েছিলেন সিয়াচেন । পাকিস্থানের হাত থেকে সিয়াচেন হিমবাহ ছিনিয়ে নিতে পেরেছিল ভারত। সালটা ১৯৪৮। “অপারেশন মেঘদূত” এর সাফল্যে পাকিস্থানের থেকে সিয়াচেন আসে ভারতের হাতে। আর পৃথিবীর এই সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্রে ভারতের সেই সাফল্যের পিছনে ছিল এক অসমসাহসী মানুষের অবদান।গোটা সারাবছর সব হারানোর মধ্যেই বছরের শেষ দিনে ভারত হারাল সেই দক্ষ পর্বতারোহীকে। কর্নেল নরেন্দ্র কুমার ।‘বুল’ নামেই পরিচিত ছিলেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ অক্সফোর্ডের টিকায় ছাড়পত্র দিল ভারত।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট করে তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন। ১৯৮৪ সালের ‘অপারেশন মেঘদূতে’র অনেক আগে সিয়াচেনে পা রেখেছিলেন ‘বুল’। পাকিস্তানও পরিকল্পনা করেছিল সিয়াচেন দখলের।ভারতের হয়ে পরিকল্পনার মুল কান্ডারী ছিলেন তিনি। তাঁর তৈরি করা ম্যাপ ও ভিডিও দেখেই ভারতীয় সেনা পরিকল্পনা করেছিল ‘অপারেশন মেঘদূতে’র। দখলের। কিন্তু নরেন্দ্রর তৎপরতায় বরফে মোড়া সিয়াচেনে উড়িয়ে দিয়েছিল তেরঙা।হারিয়েছিল পাকিস্থান কে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নরেন্দ্র কুমার জানিয়েছিলেন, কেমন ছিল সিয়াচেনের সেইসব দিনের কথা। ‘‘আমাদের মাথার উপরে পাকিস্তানিরা উড়ছিল। রঙিন ধোঁয়া ছেড়ে ওরা বোঝাতে চাইছিল, আমাদের উপরে নজর রাখা হচ্ছে। সেই সময় আমরা নিরস্ত্র ছিলাম। ফলে ভয় পাচ্ছিলাম।প্রসঙ্গত, ওই শৃঙ্গের দখল নেওয়া মানেই কার্যত সিয়াচেনের দখল হাতে চলে আসা। আর সেই শরতেই ভারতএর আসে চলে আসে সিয়াচেন।
ভারতকে দিয়েছিলেন সিয়াচেন । আর এভাবেই ভারত এক ইতিহাস তৈরি করেছিল আটের দশকের সেই সময়ে।: পদ্মশ্রী প্রাপ্ত ৮৭ বছরের কর্নেল নরেন্দ্র কুমার কিছুদিন ধরেই বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার বছরের সেস দিনে চলে গেলেন তিনি। তাঁর প্রয়ানে শোকস্তব্ধ ভারত আবার। তাঁর প্রয়াণের পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট করে জানান, তাঁর মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল।



