Bikash Ranjan Bhattacharya: ষড়যন্ত্র হয়েছে, আমি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একমত, বিস্ফোরক বিকাশ

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে ইডির হেফাজতে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যত সময় যাচ্ছে পেঁইয়াজের খোসার মতো খুলছে দুর্নীতির প্রতিটি ধাপ। তারই ঘনিষ্ট অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে রাশি রাশি টাকা, সোনার গয়না এবং বিদেশী মুদ্রা। শনিবার এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামল বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। প্রতিবাদে একজোট হলেন বুদ্ধিজীবীরা।

আরও পড়ুনঃ Sourav Ganguly: ফের ২২ গজে মহারাজ, প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছেন

এদিন বুদ্ধিজীবিদের মঞ্চ থেকে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করলেন সিপি(আই)এমের রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, যে তথ্য বেরিয়ে আসছে, পরীক্ষা দেয়নি, তাঁদের ওয়েটিং লিস্টে নাম নেই।, এত ব্যাখা দেওয়ার দরকার নেই। এখন সবটাই প্রকাশ্যে এসে গেছে। যে মন্ত্রীর কন্যা যিনি নিয়মভঙ্গ করে চাকরী পেয়েছেন, পরে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার জায়গায় যোগ্য যিনি ছিলেন, তাঁকে চাকরী দেওয়া হল। যে টাকা নিয়েছিলেন, এটা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এটা এতটাই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিল, যে তারা এই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করেনি। এই যে সরকার একটা ক্ষেত্র হয়, মেনে নিলেন দুর্নীতির সঙ্গে চাকরী হয়েছে মন্ত্রী কন্যার এবং তাঁকে এততবড় সাজা পেতে হয়েছে।

ষড়যন্ত্র হয়েছে, আমি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একমত, ব্যাখা দিলেন বিকাশ 
ষড়যন্ত্র হয়েছে, আমি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একমত, ব্যাখা দিলেন বিকাশ 

তিনি আরও বলেন, এখন যে সমস্ত ঘটনা ঘটেছে, তাতে একটা চেষ্টা চলছে গোটা প্রক্রিয়াটাকে ভিন্নমুখে পরিচালিত করা। কেউ কেউ বড় দাতা সাজার চেষ্টা করছেন। হাইকোর্টে তাঁরা বাংবার লড়াই করার চেষ্টা করেছেন। বলা হয়েছে, যেটা হয়েছে সেটা ভুল হয়েছে। তদন্তের প্রয়োজন নেই। যারা চাকরী পায়নি তাঁদেরকে আমরা চাকরী দিয়ে দেবো। আমরা এর স্পষ্ট বিরোধীরা করেছি এই জন্যেই, একটা দুর্নীতিকে প্রশয় দিয়ে আবার একটা দুর্নীতিকে লালন করা এটা আদালতের সাংবিধানিক দায়িত্ব হতে পারে না। আদালত বলেছে না আর নিয়োগ করা যাবে না। যতক্ষণ না যে প্যানেল রয়েছে, সেই প্যানেলে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ করা হয়।

ষড়যন্ত্র হয়েছে, আমি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একমত, ব্যাখা দিলেন বিকাশ 
ষড়যন্ত্র হয়েছে, আমি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একমত, ব্যাখা দিলেন বিকাশ 

শুরু থেকেই এই গোটা নিয়োগ দুর্নীতিতে লড়াই জারি রেখেছিলেন দুঁদে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। এদিন রাজ্য সরকারের দুর্নীতি ফাঁস করতে গিয়ে তিনি বলেন, কখনও লিখিত পরীক্ষায় নম্বর কম পেয়ে মৌখিক পরীক্ষায় বেশী পেয়ে চাকরী দেওয়া হয়েছে। আবার কখনও লিখিত পরীক্ষায় বেশী নম্বর পেয়ে মৌখিকে কম নম্বর দিয়ে বঞ্চিত করা হয়েছে। একটা নয়, ধারাবাহিকভাবে এই ঘটনা আমাদের সামনে এসেছিল। যেটা হয়েছিল টাকা দিয়ে। একটা দুটো ভুল হলে মেনে নেওয়া যায়।কিন্তু ধারাবাহিকভাবে যারা বেশী নম্বর পেয়েছে শিক্ষাগত যোগ্যতায়, তাঁরা যাতে চাকরী না পান আর যারা কম নম্বর পেয়েছেন, যাতে চাকরী পান, সেই ব্যবথা করা হয়েছে। দুর্নীতির মধ্য দিয়ে চুড়ান্ত ষড়যন্ত্র হয়েছে।

MP Bikash Ranjan Bhattacharya writes to speaker for granting permission on  Narada case - Anandabazar

বাম নেতার সংযোজন, আমি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একমত। ষড়যন্ত্র হয়েছে। ষড়যন্ত্র টা কী?  পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থাকে একেবারে ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পনা। আপনারা লক্ষ্য করবেন ২০১১ সালে থেকে বিভিন্ন নাম করা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন করা হয়েছে। যে সমস্ত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন করা হয়েছে, সেগুলো খ্যাতিমান। সেটা কোনও প্রাইভেট স্কুল অথবা কলেজ নয়। এর মাধ্যমে কলেজগুলিকে নীচু করে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে, অভিভাবকদের দেখানো হয়েছে, প্রাইভেট কলেজে পড়ানো হচ্ছে সেখানে চলে যাও। শিক্ষাব্যবস্থাকে বেসরকারিকরণের পরিকল্পনা চলছে। বাম আমলের ছিল শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসার। বিনা পয়সায় দেওয়া হবে। এখন সেখানে স্কুল উঠে যাচ্ছে। আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে কত স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা আদলতে বলেছি জেনারেশনের পর জেনারেশন দুর্নীতিগ্রস্ত করা হয়েছে।

ষড়যন্ত্র হয়েছে, আমি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একমত, ব্যাখা দিলেন বিকাশ 

ষড়যন্ত্র হয়েছে, আমি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একমত, ব্যাখা দিলেন বিকাশ 
ষড়যন্ত্র হয়েছে, আমি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একমত, ব্যাখা দিলেন বিকাশ 

মামলা করতে গিয়ে বারবার উপহাসের শিকার হতে হয়েছে। মামলা চলাকালীন এক আইনজীবী সওয়ালের মধ্যে ঢুকে বললেন, সর্বোচ্চ নেতৃত্বের অঙ্গে কথা হয়েছে। সমস্ত মামলা ছেড়ে দাও আমরা সকলকে চাকরী দিয়ে দেবো। এটা আসলে যা টাকা নিয়েছি সেটা যাতে না জনসমক্ষে আসে সেজন্য একথা বলেছেন। এই জায়গায় শিক্ষা ব্যবস্থাকে নিয়ে গেছে। তার বিরুদ্ধে লড়াই।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন