নজরবন্দি ব্যুরোঃ আইপিএল শুরু হওয়ার পরেই বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন এবারের আইপিএলের প্লে অফে যাবে কলকাতা নাইট রাইডার্স। কারণ শ্রেয়াস আইয়ার এর নেতৃত্বে আইপিএল ২২ এর অন্যতম শক্তিমান দল কে কে আর। কিন্তু দুটো ম্যাচ হারতেই সব বদলে গেল। বদলে গেল লিগ টেবিল এর পরিসংখ্যান কলকাতার দলটি লীগ টেবিল এর দু’নম্বর থেকে নেমে এলো ৬এ।
আরও পড়ুনঃ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হল মা ও দুই সন্তানের
মনে করা হচ্ছিল কেকেআরের সবচেয়ে শক্তি তাদের বলিনি কিন্তু পরপর দুটি ম্যাচে সেই বোলিংকে রীতিমতো নাস্তানাবুদ করে ছাড়লো বিরোধী দলগুলি। কেকেআর বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে করুণ অবস্থা 8 কোটি টাকার খেলোয়াড় বরুণ চক্রবর্তী। মনে করা হচ্ছে বরুণের মিষ্টি স্পিন ধরে ফেলেছে বিপরীত দিকে থাকা দলগুলি। কেকেআর তবু সাফাই খুঁজছে।

গত রাতে টিমের মেন্টর ডেভিড হাসি অজুহাত দিচ্ছিলেন, “ব্রেবোর্নে একই ম্যাচে দু’টো পিচ দেখলাম। আমরা বল করছিলাম যখন, বল স্কিড করছিল। স্পিনারদের পক্ষে সহজ ছিল না বল করা। তবে বরুণ আগেও ভাল করেছে কেকেআরের হয়ে। আবারও করবে। ও বিশ্বমানের স্পিনার।” শুক্রবার হায়দরাবাদের কাছে হারের পর ড্রেসিংরুমে বিমর্ষ হয়ে বসেছিলেন শ্রেয়স আইয়ার, আন্দ্রে রাসেলরা।

টিমকে তাতাতে অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ নাতিদীর্ঘ একটা বক্তৃতা রাখেন। বলেন, “আমার নিজের টি-টোয়েন্টি অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, দু’টো ম্যাচে হারার পর একে অন্যকে দোষারোপ করাটা সবচেয়ে সহজ। বলা সহজ, অমুকে এটা করেনি, তমুকে সেটা করেনি। কিন্তু তাতে লাভ হয় না। কারণ, আমরা কেউই নিজেদের কাজটা ঠিক মতো করিনি বলে হেরেছি।”

দুটো ম্যাচ হারতেই নাইট সংসারে অশান্তি, কি বললেন অধিনায়ক?
যা শুনে পাশ থেকে নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারও বলে দেন, “আমিও একই কথা বলব ভাবছিলাম। দোষারোপ না করে সামনে তাকানো ভাল। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এ জিনিস হতেই পারে। ওয়ান ব্যাড ইন অফিস।” ঠিকই। কিন্তু আরও গোটা কয়েক ‘ব্যাড ডে’ এলে প্লে-অফ বার্থই যে ফস্কে যাবে না, কে বলতে পারে?



