SSC Scam: ৯৩৭ জনের চাকরি নিয়ে টানাপোড়েন, আগামী সপ্তাহেই মামলার শুনানি

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে একের পর এক কড়া পদক্ষেপ নিতে দেখা গেছে কলকাতা হাইকোর্টকে। বেআইনিভাবে যাদের নিয়োগ হয়েছে, দ্রুত তাঁদের চাকরি বাতিল করে নতুন করে নিয়োগের জন্য নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সেই কাজে আরও এক ধাপ এগিয়ে এবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। যার ফলে এখন প্রায় ৯৩৭ জনের চাকরি নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ Calcutta High Court: বড় নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট, ইডির হাতে গ্রেফতার হাওড়ার দুই ব্যবসায়ী

জানা গেছে, ২০১৬ সালে নিয়োগ হওয়া এই ৯৩৭ জন এখন কমিশনের স্ক্যানারে। এর মধ্যে ৮০৫ জনের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে কমিশন। সূত্রের খবর, স্কুল সার্ভিস কমিশনের ১৭ নম্বর ধারা প্রয়োগ করে ৮০৫ জনের চাকরি বাতিল হতে পারে। অভিযোগ, এই ৮০৫ জনের ওএমআর শিট এবং সার্ভার নম্বরের মধ্যে বিস্তর ফারাক মিলেছে। দুর্নীতির কথা স্বীকার করা হয়েছে কমিশনের তরফেই। তাঁদের বিরুদ্ধে বিধি প্রয়োগ করে কলকাতা হাইকোর্টকে জানাবে কমিশন। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি মামলার শুনানি রয়েছে সেখানেই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হতা পারে। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

৯৩৭ জনের চাকরি নিয়ে টানাপোড়েন, কী সিদ্ধান্ত নেবে আদালত? 
৯৩৭ জনের চাকরি নিয়ে টানাপোড়েন, কী সিদ্ধান্ত নেবে আদালত? 

এর আগে নবম ও দশম শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইকে চরম ভৎসনা করেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। তাঁর কথায়, যারা টাকা নিয়েছে এবং নিয়োগের জন্য যারা টাকা দিয়েছে তাঁদের কেন বাদ দেওয়া হচ্ছে। বিচারপতির বক্তব্য ছিল, নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত বাকিরা কেন ঘুরে বেড়াচ্ছেন? তাঁদের কেন ছেড়ে রাখা হয়েছে? যাদের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নিয়েছে সিবিআই? তাও জিজ্ঞাসাবাদ করেন তিনি।

৯৩৭ জনের চাকরি নিয়ে টানাপোড়েন, কী সিদ্ধান্ত নেবে আদালত? 

৯৩৭ জনের চাকরি নিয়ে টানাপোড়েন, কী সিদ্ধান্ত নেবে আদালত? 
৯৩৭ জনের চাকরি নিয়ে টানাপোড়েন, কী সিদ্ধান্ত নেবে আদালত? 

একইসঙ্গে সিবিআইয়ের উদাসিনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। নিয়োগ দুর্নীতিতে যারা টাকা নিয়েছে, তাঁদের কেন হেফাজতে নেওয়া হচ্ছে না? এখনও কেন উদাসীন? এতদিনে অনেক টাকা পাচার হয়ে গেছে। এমনটাও মন্তব্য করতে দেখা যায় বিচারপতিকে। সিবিআইয়ের উদ্দেশ্যে কার্যত ক্ষোভ প্রকাশ করেই বলেন, প্রতিদিন আসছেন আদালতকে উপদেশ দিতে হচ্ছে। যা করার দ্রুত করুন।  এমনকি কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। এরপরেই কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে কমিশন।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত