নজরবন্দি ব্যুরোঃ চাণক্য প্রভাব! মুকুলের হাত ধরে বিজেপিতে এলেন তৃণমূলের ছাত্র নেতা সহ ৫০০ জন। প্রথম ধাপের নির্বাচন শুরু হতে মাত্র আর কটা দিন। তার পরেই মোট ৮ দফায় ২৯৪ আসনে নির্বাচন হবে বাংলায়। কিন্তু নির্বাচনের দিন চলে এলেও দলত্যাগ কমছে না রাজ্যে। ভোটের মুখেও ক্ষোভ জানিয়ে দল ছাড়ছেন একাধিক নেতা কর্মী। নতুন করে দলে আসছেন একাধিক তারকা সহ সাধারণ মানুষ ও। অন্যদিকে লড়াই সহজ করতে ভোট ময়দানে মুকুল রায়কে নামিয়ে এনেছে বিজেপি। প্রায় দু’দশক পর এবারের প্রার্থী তিনি।
আরও পড়ুনঃ বহিরাগত ইস্যুতে জবাব, সপ্তম পে কমিশন নিয়ে মোদীকে ত্রিপুরা খোঁচা মমতার।
তৃণমূলের ভাঙনের সূত্রপাত বলতে ওয়াকিবহাল মহল মনে করেন মুকুল কেই। দীর্ঘকাল ঘাসফুলে থেকে একদিন একাই চলে যান পদ্মবনে। তারপর অনেক বছর একই খাতে বনইছিল জল। গতি বদলায় গত বছরের ডিসেম্বরে। শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে। জল্পনা তৈরি করে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যান অধিকারী। তার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ভাঙন অব্যাহত। একে একে তৃণমূল ছেড়েছেন একাধিক সামনের সারির নেতা মন্ত্রী। বিজেপিতে গিয়েই এই নির্বাচনে লড়ার জন্য টিকিটও পেয়েছেন তাঁদের অনেকেই।
মুকুল রায়কে রাজনীতির চাণক্য বলা হয়ে থাকে, মুকুল বিজেপিতে যোগের পর তাঁর অনুগামীরা দল ছেড়েছিলেন অনেকেই, অনেকেই রয়ে গিয়েছিলেন যাঁরা শুভেন্দুর পর আনুষ্ঠানিক ভাবে গেছেন বিজেপিতে। আজই মুকুল পুত্র জানিয়েছিলেন রাজনীতির পথ চলতে শিখেছেন তাঁর বাবাকে দেখেই। এবার কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি প্রার্থী মুকুল রায়ের হাত ধরে বেলডাঙ্গা বিজেপি পার্টি অফিসে বিজেপিতে যোগ দিলেন তৃনমূলের ছাত্র পরিষদের নেতা সহ ৫০০ জন কর্মী।
চাণক্য প্রভাব! মুকুলের হাত ধরে বিজেপিতে এলেন তৃণমূলের ছাত্র নেতা সহ ৫০০ জন। যেখানে মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে থাকেন যুব সম্প্রদায় ভিত্তি তাঁর দলের, সেখানে ভোটের ঠিক মুখে এই অঙ্কের দলত্যাগ ঘাসফুল শিবিরকে অস্বস্ত্বিতে ফেলবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। অন্যদিকে গেরুয়া পতাকা হাতে নিয়েই, ছাত্র পরিষদের নেতা জানিয়েছেন, “আমারা ২০০৮ সাল থেকেই তৃণমূল করি, কিন্তু এই দল এখন কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে, আমরা খুশি, মুকুল দা আমাদের বিজেপিতে স্বাগত জানালেন।”



