নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে কমিশন আর পর্ষদের বিরুদ্ধে প্রতিদিনই নতুন অভিযোগ উঠছে। বিচারপতির ধমক আর তিরস্কার শুনতে শুনতে কান ব্যাথা হয়ে গিয়েছে রাজ্যের আইনজীবীদের। কিন্তু কাজের কাজ হচ্ছে কই? হাতে নাতে প্রমান হওয়ার পরেই সিবিআই তদন্ত থেকে বাঁচতে অভিযুক্তরা কেউ ডিভিশন বেঞ্চে যাচ্ছেন কেউ আবার সুপ্রিম কোর্টে। এরই মধ্যে চাকরি চলে গেছে বর্তমান শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীর।
আরও পড়ুনঃ iPhone কে পাল্লা দিতে ভারতের বাজারে আসছে Redmi K50i 5G, জানুন বিস্তারিত



চাকরি চলে গিয়েছে প্রাথমিকের ২৬৯ জন শিক্ষকদের। পর্ষদ সভাপতির পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে মানিক ভট্টাচার্য কে। সব মিলিয়ে শিক্ষক নিয়োগ মামলায় জেরবার রাজ্য সরকার। তবে এরই মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেছেন রাজ্যে ১৭ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। কেউ কেউ আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন বলেই সেই শূন্যপদ গুলিতে শিক্ষক নিয়োগ করতে পারছেন না তিনি। আজ সেই একই সুর শোনা গেল শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর গলায়।

শুক্রবার তৃণমূল ভবনে একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন ব্রাত্য। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ করতে চায় রাজ্য সরকার। আদালতের নির্দেশ পেলেই সেই প্রক্রিয়া শুরু করে দেওয়া হবে। তাঁর কথায়, ‘‘আমরা দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ করে স্কুলগুলিতে তৈরি হওয়া শূন্যপদ পূরণ করতে চাইছি। ঢেলে সাজাতে চাইছি স্কুলের শিক্ষা ব্যবস্থাকে। কিন্তু এই মুহূর্তে সার্ভার রুম বন্ধ থাকায় কাজের সমস্যা হবে। আমরা আশা করছি, মহামান্য আদালত সুবিচার করবেন।’’


৩৫ হাজার শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীর পদ শূন্য, চলতি বছরেই নিয়োগ করবে রাজ্য।

রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলিতে ২০১৬ সালে শেষবার শিক্ষক নিয়োগ হয়। তারপর প্রায় ৫ বছর ধরে শিক্ষক নিয়োগ হয়নি। তবে শুধু শিক্ষক নিয়োগই থমকে নেই। রাজ্যের স্কুলগুলিতে শিক্ষাকর্মী নিয়োগও শেষ বারের মতো হয়েছে ২০১৫ সালে। তারপর টানা ৬ বছর হয়নি নিয়োগ। ফলে দিনে দিনে সরকারি স্কুলেও শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর সংখ্যা কমছে। বহু শূন্যপদ তৈরি হয়েছে। সেই সব শূন্যপদ গুলিতে শিক্ষক নিয়োগ করতে চায় রাজ্য। সূত্রের খবর সব মিলিয়ে এই মুহুর্তে রাজ্যে প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীর পদ শূন্য রয়েছে।







